রামেক ল্যাবে পড়ে আছে নাটোরের ৪১৭ নমুনা

রাজশাহী মেডিকেল কলেজের (রামেক) পিসিআর ল্যাবে নাটোরের ৪১৭টি নমুনা করোনা পরীক্ষার জন্য পড়ে আছে। রামেক ল্যাবে গত ২৪ ঘণ্টায় নাটোরের একটি নমুনা পরীক্ষা হয়েছে। এদিকে, শুক্রবার সাপ্তাহিক বন্ধ থাকায় নাটোরে র‌্যাপিড এন্টিজেন্ট এবং জিন এক্সপার্ট মেশিনে কোনো নমুনা পরীক্ষা করা হয়নি।
ছবি: সংগৃহীত

রাজশাহী মেডিকেল কলেজের (রামেক) পিসিআর ল্যাবে নাটোরের ৪১৭টি নমুনা করোনা পরীক্ষার জন্য পড়ে আছে। রামেক ল্যাবে গত ২৪ ঘণ্টায় নাটোরের একটি নমুনা পরীক্ষা হয়েছে। এদিকে, শুক্রবার সাপ্তাহিক বন্ধ থাকায় নাটোরে র‌্যাপিড এন্টিজেন্ট এবং জিন এক্সপার্ট মেশিনে কোনো নমুনা পরীক্ষা করা হয়নি।

নাটোরের সিভিল সার্জন ডা. কাজী মিজানুর রহমান দ্য ডেইলি স্টারকে এসব তথ্য জানিয়েছেন।

নাটোরে করোনা পরীক্ষার পিসিআর মেশিন নেই এবং রাজশাহীতে নমুনা পাঠিয়ে রিপোর্ট পাওয়া যায়না বলে জানিয়েছেন তিনি।

রাজশাহীর পিসিআর ল্যাবে রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের নমুনা পরীক্ষা গুরুত্ব দিয়ে হয় উল্লেখ করে তিনি দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, ‘নওগাঁর রিপোর্টও কিছু করে, কিন্তু নাটোরের নমুনা পরীক্ষা করেন না রাজশাহী মেডিকেল কলেজ কর্তৃপক্ষ। ১ থেকে ১২ জুন পর্যন্ত ৮২৭টি নমুনা পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছিল। এর মধ্যে ৪১৭ নমুনা জমেছে, রিপোর্ট দিচ্ছে না। আমরা অনুরোধ করেছি অন্তত ১০০টি নমুনা পরীক্ষা করে দিতে, তাও তারা দিচ্ছে না।’

রাজশাহী ছাড়া পাশের জেলায় পরীক্ষার জন্য পাঠানো যায় কিনা সে বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। তবে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত আসেনি বলে জানান তিনি।

এ প্রসঙ্গে রামেক ল্যাবের ইনচার্জ অধ্যাপক সাবেরা নাহার ডেইলি স্টারকে বলেন, ‘চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও রাজশাহীতে সংক্রমণ বেশি হওয়ায় ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে এ দুই জেলার নমুনা পরীক্ষা অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। এর ফাঁকে ফাঁকে নওগাঁ ও নাটোরের নমুনা পরীক্ষা করা হচ্ছে। আমরা চার জেলার পরীক্ষায় সমন্বয় রাখার চেষ্টা করছি। তারপরও প্রতিদিন মোট সংগ্রহের ছয়-সাত শ নমুনা পড়ে থাকে, আমরা পরীক্ষা করতে পারি না।’

তিনি বলেন, ‘দুটি মেশিনে চার শিফটে আমরা পরীক্ষা করছি। এর জন্য প্রতিবার আলাদা আলাদা জনবল প্রয়োজন হয়। একটি মেশিনে নমুনা পরীক্ষা করতে ছয় ঘণ্টা সময় লাগে। একজনের পক্ষে ব্যক্তিগত সুরক্ষাসামগ্রী (পিপিই) পরে ছয় ঘণ্টার বেশি কাজ করা সম্ভব না। আমরা আরও একটি মেশিন পেয়েছি। ইতোমধ্যে মেশিনটি স্থাপন করা হয়েছে। ঢাকা থেকে একটি যন্ত্রাংশ এলে আমরা সেটি ব্যবহার শুরু করতে পারবো।

এদিকে, আজ চতুর্থ দিনের মত কঠোর লকডাউন চলছে নাটোর পৌরসভা এবং সিংড়া পৌরসভায়। লকডাউন বাস্তবায়নে পুলিশের টহল এবং দুটি ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান চলছে নিয়মিত। আইন ভাঙ্গলেই গুনতে হচ্ছে জরিমানা। গত তিন দিনে শতাধিক মানুষকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে সাজা দিয়েছেন।

Comments

The Daily Star  | English

Five Transcom officials get bail in property dispute cases

A Dhaka court today granted bail to five officials of Transcom Group in connection with cases filed over property disputes

2h ago