দ্রুত সময়ের মধ্যে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার দাবি

রোডম্যাপ প্রণয়ন করে দ্রুত সময়ের মধ্যে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার দাবি জানিয়েছে প্রগতিশীল ছাত্র জোট। এছাড়াও সমাবেশে প্রস্তাবিত বাজেটে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজের উপর ১৫ শতাংশ ভ্যাট প্রত্যাহারের দাবি জানানো হয়।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের সামনে প্রগতিশীল ছাত্র জোটের সমাবেশ। ছবি: সংগৃহীত

রোডম্যাপ প্রণয়ন করে দ্রুত সময়ের মধ্যে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার দাবি জানিয়েছে প্রগতিশীল ছাত্র জোট। এছাড়াও সমাবেশে প্রস্তাবিত বাজেটে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজের উপর ১৫ শতাংশ ভ্যাট প্রত্যাহারের দাবি জানানো হয়।

শনিবার বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের সামনে প্রগতিশীল ছাত্র জোটের ছাত্র সমাবেশে এসব দাবি জানান নেতারা।

এসময় ছাত্র ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় সভাপতি ফয়েজ উল্লাহ বলেন, পনেরো মাসের বেশি সময় ধরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রেখে শিক্ষাকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাচ্ছেন শিক্ষামন্ত্রী।

তিনি বলেন, প্রায় ১৬ মাস ধরে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ। প্রাইমারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের দুই কোটি শিক্ষার্থী কীভাবে শিক্ষা জীবনে ফিরে আসবে, সে বিষয়ে সরকারের কোনো পরিকল্পনা নেই। আমরা দেখেছি প্রাইমারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কোনো ডিভাইস সুযোগ-সুবিধা না দিয়ে অনলাইন ক্লাসের নামে শিক্ষার্থীদের পঙ্গু করার পাঁয়তারা করা হয়েছিল। শুধু তাই নয়, স্কুল-কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয়েও একই ধরনের পাঁয়তারা করা হয়েছে। এভাবে শিক্ষামন্ত্রী শিক্ষার মূল গোড়া থেকে সর্বোচ্চ পর্যন্ত ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাচ্ছেন।’

‘এ বছর যে বাজেট প্রস্তাব করা হলো, সেখানে শিক্ষার্থীদের কথা ভাবা হয়নি। সেখানে নাকি দেশের উন্নয়নের কথা ভাবা হয়েছে। দেশ নাকি আজ উন্নত হচ্ছে, বড় বড় ব্রিজ হচ্ছে, কালভার্ট হচ্ছে। যা শিক্ষার্থীদের কোনো কাজে আসবে না। অথচ যে শিক্ষার্থীরা এসব উন্নয়নের চেয়ে গুরুত্ব পাওয়ার কথা ছিল, আজকে তাদের পঙ্গু করে দেওয়া হচ্ছে,’ বলেন তিনি।

প্রগতিশীল ছাত্র জোটের সমন্বয়ক মাসুদ রানা বলেন, ‘দেশ থেকে কবে করোনা নিমুর্ল হবে,তা এখনও বলা যাচ্ছে না। বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, করোনা কয়েক বছর থাকবে। কিন্তু এ সরকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এখনও পর্যন্ত বন্ধ রেখেছে।  শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার জন্য কোনো ধরনের রোডম্যাপ প্রণয়ন করা হচ্ছে না।’

সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের সভাপতি আল কাদেরী জয় এবং সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন প্রিন্স,সংগঠনটির ঢাবির সাধারণ সম্পাদক প্রগতি বর্মণ তমা প্রমুখ।

Comments

The Daily Star  | English

How Lucky got so lucky!

Laila Kaniz Lucky is the upazila parishad chairman of Narsingdi’s Raipura and a retired teacher of a government college.

5h ago