এককভাবে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি আয়োজন করতে চায় বিসিবি

বোর্ড সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন বলেছেন, এশিয়ার অন্য দেশগুলোর সঙ্গে যৌথভাবে ওয়ানডে বিশ্বকাপ ও টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আয়োজক হওয়ার চেষ্টাও চালাবেন তারা।
ফাইল ছবি: বিসিবি

২০১৭ সালের পর আর আয়োজিত হয়নি আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি। তবে এই টুর্নামেন্টটিকে পুনরুজ্জীবিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা। আইসিসির বৈশ্বিক টুর্নামেন্টগুলোর আগামী চক্রে অনুষ্ঠিত হবে দুটি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি। সেগুলোর একটি এককভাবে আয়োজন করতে চায় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।

মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত হয়েছে বিসিবির পরিচালনা পর্ষদের সাধারণ সভা। এরপর মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে সংবাদ সম্মেলনে বোর্ড সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন বলেছেন, এশিয়ার অন্য দেশগুলোর সঙ্গে যৌথভাবে ওয়ানডে বিশ্বকাপ ও টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আয়োজক হওয়ার চেষ্টাও চালাবেন তারা।

ভেন্যু কম থাকায় বিশ্বকাপে এককভাবে স্বাগতিক হওয়া বাংলাদেশের জন্য কঠিন বলে জানিয়েছেন বিসিবি প্রধান, ‘বিশ্বকাপে ছেলেদের ইভেন্টের জন্য ১০টা ভেন্যু থাকতে হবে। সেটা এখন বাংলাদেশের জন্য কঠিন। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে কম ভেন্যু লাগে। তাই এখানে আলাদাভাবে বিড করা যাবে। বিশ্বকাপে যৌথভাবে বিড করব। এশিয়ার অন্য দেশগুলোর সঙ্গে মিলে আমরা একসঙ্গে বিড করব।’

তবে আয়োজক নির্ধারণে উন্মুক্ত বিডিং প্রক্রিয়া থেকে সরে দাঁড়িয়েছে আইসিসি। চলতি মাসের শুরুতে তারা সিদ্ধান্ত নিয়েছে, সংস্থাটির বোর্ডই ঠিক করে দেবে বৈশ্বিক টুর্নামেন্টগুলোর স্বাগতিক দেশ। এক্ষেত্রে বাংলাদেশের আয়োজক হওয়া নির্ভর করবে আইসিসি ও শক্তিশালী ক্রিকেট বোর্ডগুলোর সঙ্গে বোঝাপড়া ও কূটনৈতিক সম্পর্কের সফলতার ওপর। কারণ, আর্থিক লাভসহ নানা কারণে অধিকাংশ টুর্নামেন্ট ভারত, ইংল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়ার মতো দলগুলোর নিজেদের মাটিতে করতে চাওয়ার জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে।

২০২৪-২০৩১ সাল পর্যন্ত আট বছরের চক্রের সূচি ইতোমধ্যে প্রকাশ করেছে আইসিসি। প্রতি বছরই থাকছে কোনো না কোনো বৈশ্বিক টুর্নামেন্ট। দুটি ওয়ানডে বিশ্বকাপ আয়োজিত হবে ২০২৭ ও ২০৩১ সালে এবং চারটি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ হবে ২০২৪, ২০২৬, ২০২৮ ও ২০৩০ সালে। ২০২৫ ও ২০২৯ সালে অনুষ্ঠিত হবে ৮ দলের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি। আরও থাকছে চারটি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ। সেগুলোর ফাইনাল মাঠে গড়াবে ২০২৫, ২০২৭, ২০২৯ ও ২০৩১ সালে।

এর আগে ২০১১ ওয়ানডে বিশ্বকাপের সহ-আয়োজক ছিল বাংলাদেশ। তখন খেলা হয়েছিল দুটি ভেন্যুতে। এরপর ২০১৪ সালে এককভাবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের স্বাগতিক ছিল বাংলাদেশ। সেবার ঢাকা ও চট্টগ্রামের সঙ্গে তৃতীয় ভেন্যু হিসেবে ছিল সিলেট।

Comments