সাতক্ষীরা করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতালে আরও ৯ জনের মৃত্যু

করোনা ডেডিকেটেড সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গত ২৪ ঘণ্টায় নয় জন মারা গেছেন। এর মধ্যে একজন করোনা পজিটিভ ছিলেন এবং বাকি আট জনের উপসর্গ ছিল। একই সময়ে ১৮০ জনের নমুনা পরীক্ষায় ৬৭ জনের করোনা শনাক্ত হয় এবং শনাক্তের হার ৩৭ দশমিক ২২ শতাংশ। এর আগের ২৪ ঘণ্টায় শনাক্তের হার ছিল ৩৪ দশমিক ৬৪ শতাংশ।
সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল। ছবি: সংগৃহীত

করোনা ডেডিকেটেড সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গত ২৪ ঘণ্টায় নয় জন মারা গেছেন। এর মধ্যে একজন করোনা পজিটিভ ছিলেন এবং বাকি আট জনের উপসর্গ ছিল। একই সময়ে ১৮০ জনের নমুনা পরীক্ষায় ৬৭ জনের করোনা শনাক্ত হয় এবং শনাক্তের হার ৩৭ দশমিক ২২ শতাংশ। এর আগের ২৪ ঘণ্টায় শনাক্তের হার ছিল ৩৪ দশমিক ৬৪ শতাংশ।

এদিকে, লকডাউনের আজ তৃতীয় দফার শেষ দিন। গত ৫ জুন থেকে সাতক্ষীরা জেলায় লকডাউন শুরু হয়। পরে তা আর দু’ধাপে বাড়ানো হয়। আজ বিকেলে করোনা প্রতিরোধ কমিটির সভায় নতুন সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

সাতক্ষীরা সিভিল সার্জন হাসপাতালের চিকিৎসা কর্মকর্তা জয়ন্ত সরকার দ্য ডেইলি স্টারকে এসব তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি জানান, বুধবার সকাল আটটা থেকে বৃহস্পতিবার সকাল আটটা পর্যন্ত এই ২৪ ঘণ্টায় ১৮০ জনের নমুনা পরীক্ষায় ৬৭ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। শনাক্তের হার ৩৭ দশমিক ২২ শতাংশ। জেলায় এ পর্যন্ত ১২ হাজার ৬৪ জনের নমুনা পরীক্ষায় তিন হাজার ১১৭ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। শনাক্তের শতকরা হার ২৫ দশমিক ৮৩ শতাংশ।

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় একজন এবং উপসর্গ নিয়ে আটজন মারা গেছেন। জেলায় এ পর্যন্ত করোনার উপসর্গে মারা গেছেন ২৯৭ জন ও করোনায় মারা গেছেন ৬৩ জন।

সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের তত্ববধায়ক ডা. কুদরত-ই-খোদা জানান, করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতালে শয্যা সংখ্যা ২৫০টি। আজ ভর্তি আছেন ২৬০ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় ভর্তি হয়েছে ৩৭ জন। হাসপাতালে শয্যা না থাকায় মেঝেতে রোগী রাখতে হচ্ছে। আইসিইউ-এর আটটি শয্যায় আট জন রোগী ভর্তি আছেন।

Comments

The Daily Star  | English
no fire safety measures at the building on Bailey Road

No fire safety measures despite building owners being notified thrice: fire service DG

There were no fire safety measures at the building on Bailey Road where a devastating fire last night left at least 46 people dead, Fire Service and Civil Defence Director General Brig Gen Md Main Uddin said today

2h ago