আগামী বছর ১ ফেব্রুয়ারি থেকেই বই মেলা

একুশে গ্রন্থমেলা ২০২০। ছবি: রাফিদ ইয়াসার/স্টার ফাইল ফটো

আগামী বছরের ফেব্রুয়ারির প্রথম দিন থেকেই শুরু হতে যাচ্ছে মাসব্যাপী অমর একুশে বই মেলা। এবারের বই মেলায় স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন করা হবে।

প্রতি বছর ১ ফেব্রুয়ারি থেকে বই মেলা শুরু হলেও এ বছর করোনা মহামারির কারণে ১৮ মার্চ থেকে মেলা শুরু হয়েছিল।

মেলা শেষও হয়েছিল তাড়াতাড়ি। ১৪ এপ্রিলের পরিবর্তে ১২ এপ্রিল মেলা শেষ করে সরকার সেই সময়ে দেশব্যাপী পুনরায় লকডাউন কার্যকর করে।

বইমেলা কমিটির সদস্য সচিব জালাল আহমেদ দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, 'এবার মেলার প্রাঙ্গণ সাজানোর সময় আমরা বঙ্গবন্ধুর প্রতি যথাযথ শ্রদ্ধা জানাবো এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে সমুন্নত রাখব।'

কমিটি ইতোমধ্যে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ও বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে মেলা আয়োজনের প্রস্তুতি শুরু করেছে জানিয়ে জালাল আহমেদ বলেন, আশা করা হচ্ছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মেলার উদ্বোধন করবেন।

ফ্রাঙ্কফুর্ট বইমেলার সভাপতি ও সিইও জুয়েরজেন বুস উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন বলে আশা করা হচ্ছে, তিনি জানান।

জুয়েরজেন বুস সোসাইটি ফোর দ্য প্রমোশন অব আফ্রিকান, এশিয়ান এবং লাতিন আমেরিকান লিটারেচারের (এলআইটিপিআরওএম) সভাপতি।

মেলা কমিটি আশা করছে গত বছরের মেলায় অংশগ্রহণকারীরা এবারেও মেলায় যোগ দেবেন।

জালাল আহমেদ বলেন 'আমরা ইতোমধ্যে ৩০০টি স্টলের জন্য আবেদন পেয়েছি।'

জানুয়ারির মধ্যে স্টল বরাদ্দ চূড়ান্ত করা হবে বলে জানান তিনি।

বাংলা একাডেমির জনসংযোগ ও সমন্বয় উপকমিটির তথ্য অনুযায়ী, ২০২১ সালের বইমেলায় একাডেমি প্রাঙ্গণে ১০৭টি প্রতিষ্ঠান ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যান অংশে ৪৩৩টি প্রতিষ্ঠানকে স্টল বরাদ্দ দেওয়া হয়। এর বাইরে মেলায় ৩৩টি প্যাভিলিয়ন ছিল। সব মিলিয়ে গতবার মেলায় ৪৬৬টি প্রকাশনা সংস্থা অংশ নেয়।

এবারের মেলার বিন্যাসের বিষয়ে জালাল আহমেদ বলেন, '২০২১ সালের বইমেলা বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণ এবং ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের প্রায় ১৫ লাখ বর্গফুট জায়গা জুড়ে অনুষ্ঠিত হয়। এবারও আমরা কম-বেশি এ জায়গাতেই আয়োজন করবো। যার জন্য গত কয়েকবারের মতো এবারও স্থপতি এনামুল করিম নির্ঝরকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।'

মেলার নির্দেশিকা অনুযায়ী, ন্যূনতম ১০০টি ভিন্ন শিরোনামে প্রকাশনা রয়েছে এমন যেকোনো প্রকাশনা সংস্থাকে মেলায় স্টল রাখার অনুমতি দেওয়া হবে।

নতুন প্রকাশকদের জন্য এই সংখ্যাটি ৫০ এ নামানো হয়েছে।

গত বইমেলায় মোট ৫৪০টি প্রকাশনা সংস্থা এবং সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান অংশ নিয়েছিল।

আয়োজকরা জানান, মেলা প্রতিদিন বিকেল ৩টা থেকে রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্ত খোলা থাকবে। সাপ্তাহিক ছুটির দিনে সকাল ১১টা থেকে রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্ত এবং আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ২১ ফেব্রুয়ারি সকাল ৮টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত খোলা থাকবে।

বেশ কয়েকজন প্রকাশকের সঙ্গে কথা বলেছে দ্য ডেইলি স্টার। তারা জানান, বইমেলার সময়ই তাদের বেশিরভাগ ব্যবসা হয়, তাই সেখানে তারা বেশিরভাগ নতুন বই উন্মোচনের চেষ্টা করেন।

অনুবাদ করেছেন সুমন আলী

Comments

The Daily Star  | English

Primary Schools: Dropouts up after 14 years of decline

In a setback for the country’s primary education system, the school dropout rate saw a sudden rise last year after a steady decline over 14 years, according to a government report.

9h ago