বিদেশে জিয়া পরিবারের ১২ বিলিয়ন ডলার: কাদের

​কানাডাভিত্তিক একটি সংবাদ মাধ্যমের বরাত দিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানসহ জিয়া পরিবারের ১২ বিলিয়ন ডলার সৌদি এবং কাতারসহ বিভিন্ন দেশে বিনিয়োগ রয়েছে। দুর্নীতির মাধ্যমে বিদেশে পাচার করা এসব অর্থ ফেরত আনতে উদ্যোগী হওয়ার দাবি জানিয়েছেন তিনি।
কানাডাভিত্তিক একটি গণমাধ্যমের বরাত দিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন সৌদি আরব, কাতারসহ বেশ কয়েকটি দেশে জিয়া পরিবারের ১২ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ রয়েছে। ছবি: স্টার ফাইল ফটো

কানাডাভিত্তিক একটি সংবাদ মাধ্যমের বরাত দিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানসহ জিয়া পরিবারের ১২ বিলিয়ন ডলার সৌদি এবং কাতারসহ বিভিন্ন দেশে বিনিয়োগ রয়েছে। দুর্নীতির মাধ্যমে বিদেশে পাচার করা এসব অর্থ ফেরত আনতে উদ্যোগী হওয়ার দাবি জানিয়েছেন তিনি।

ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতেই সংবাদ সম্মেলনে জিয়া পরিবারের দুর্নীতির চিত্র তুলে ধরেছেন। বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুলের আইনি ব্যবস্থা নেয়ার হুমকি প্রসঙ্গে প্রসঙ্গে কাদের বলেন, অভিযোগ সত্য প্রমাণিত না হলে আইনি ভাবে মোকাবেলা করবেন তারা। সৎসাহস থাকলে বিএনপিকে অভিযোগ আইনিভাবে মোকাবেলা করারও আহ্বান জানান ওবায়দুল কাদের।

গত ৭ ডিসেম্বর গণভবনে বিদেশি কয়েকটি গণমাধ্যমের বরাত দিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অভিযোগ করেন, বিএনপি প্রধান সৌদি আরবে প্রচুর টাকা পাচর করেছেন। দেশি কোনো গণমাধ্যমে এ সংক্রান্ত খবর প্রকাশ না হওয়াকে দুঃখজনক বলেন প্রধানমন্ত্রী।

এই অভিযোগকে মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত আখ্যা দিয়ে বক্তব্যের জন্য বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম প্রধানমন্ত্রীকে ক্ষমা চাওয়ার অহ্বান জানান। অন্যথায় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও তখন জানিয়েছিলেন ফখরুল।

Click here to read the English version of this news

Comments

The Daily Star  | English
External challenges linger for Bangladesh after Awami League re-election: Fitch

Fitch downgrades Bangladesh’s rating to “B+”, outlook stable

Fitch Ratings has downgraded Bangladesh's long-term foreign-currency issuer default rating to “B+” from “BB-” owing to the lingering weakening of the country’s external buffers

13m ago