খেলা

‘বিশ্বাসটা ছিল সবার ভেতরে’

ম্যাচ সেরা মুমিনুল হক জানালেন মনের ভেতর ভয় না থাকাতেই জয় করতে পেরেছেন পরিস্থিতি।
এক ঘন্টা আগেই ড্র মেনে নিয়ে ফিরছেন মাহমুদউল্লাহরা। ছবি: ফিরোজ আহমেদ

এর আগে দুবার প্রথম ইনিংসে পাঁচশো রানের বেশি করেও ম্যাচ হেরেছিল বাংলাদেশ। চট্টগ্রাম টেস্টের চতুর্থ দিন শেষে শঙ্কা জেগেছিল তেমন আরেকটি ম্যাচের। শেষ পর্যন্ত শেষ দিনে আর কোন বিপর্যয়ে ঘটেনি। নির্বিঘ্নেই ড্র করেছে বাংলাদেশ।  ম্যাচ সেরা মুমিনুল হক জানালেন মনের ভেতর ভয় না থাকাতেই জয় করতে পেরেছেন পরিস্থিতি।

প্রথম ইনিংসে ১৭৬ রানের ইনিংস খেলে দলের বিশাল সংগ্রহের ভিত গড়ে দিয়েছিল মুমিনুলই। দ্বিতীয় ইনিংসে তার কাছে দলের চাওয়া ছিল অন্যরকম। সেখানেও মিটিয়েছেন দলের দাবি। আরেকটি সেঞ্চুরি করে বাঁচিয়েছেন ম্যাচ। খেলা শুরুর আগে টিম মিটিংয়ে মনের ভয় কাটানোই গুরুত্বপূর্ণ ছিল মুমিনুলদের কাছে, ‘এই পরিস্থিতিতে এর আগেও আমরা পড়েছিলাম। এসব পরিস্থিতিতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো মানসিক দৃঢ়তা। নিজের কাছে বিশ্বাস রাখা। টিম ম্যানেজমেন্ট থেকে শুরু করে, টিম বয় এমনকি আপনারা যা সাংবাদিক আছে তারাও। পুরো দেশের মানুষের বিশ্বাস ছিল সত্যি কথা। সবাই বিশ্বাস করেন তাহলে জিনিসটা আসবে।’

দলের একজনের মনের ভেতর কু ডাকও যেন না আসে, সেটাই ভেবেছে বাংলাদেশ। তাতেই নাকি মিলেছে ফল, ‘রিয়াদ ভাইয়ের সঙ্গে আলাপ করেছি, রিয়াদ ভাইও একই কথা বলছে। এটা নিয়ে কারো মধ্যে সন্দেহ যেন না থাকে যে আমরা এই ম্যাচটা বাঁচাতে করতে পারব না। আমরা দলের মধ্যে যেভাবে কথা বলছি, যেন সন্দেহ না থাকে আমরা যেন বিশ্বাস করি। বিশ্বাসটা ছিল সবার ভেতরে।’

সবাই বিশ্বাসটা করেছিলেন মনে মনে। মাঠে নেমে তা করে দেখিয়েছেন মুমিনুল আর লিটন দাস। চতুর্থ উইকেটে ১৮০ রানের জুটি গড়েছেন। প্রায় দুই সেশন তারাই উইকেটে কাটিয়ে দেওয়ার পর বিপদও কেটে যায় বাংলাদেশের। প্রতি ঘন্টা হিসেব করেই জুটি গড়ে পেয়েছেন এমন ফল, ‘যদি চিন্তা করেন পুরো দিনটা খেলবেন তাহলে কিন্তু কঠিন। আমি আর লিটন যেটা করছিলাম প্রথম সেশন থেকে। সেশন বাই সেশন, এক ঘণ্টা, এক ঘণ্টা করে পরিকল্পনা করেছি।’

Comments

The Daily Star  | English

Trees are Dhaka’s saviours

Things seem dire as people brace for the imminent fight against heat waves and air pollution.

4h ago