বিশ্বকাপের নকআউটে এ কেমন পারফরম্যান্স মেসি-রোনালদোর!

ক্লাব ফুটবলে দুজন মিলে গোলের বন্যায় ভাসিয়ে দেন প্রতিপক্ষকে। চ্যাম্পিয়ন্স লীগের নকআউট পর্বে রোনালদোর রেকর্ড তো রীতিমত ঈর্ষণীয়। মেসির নকআউট পর্বের রেকর্ডও একেবারে খারাপ নয়। তবে বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে আসলেই যেন নিজেদের হারিয়ে খোঁজেন সময়ের এই দুই মহাতারকা।
Messi & Ronaldo

ক্লাব ফুটবলে দুজন মিলে গোলের বন্যায় ভাসিয়ে দেন প্রতিপক্ষকে। চ্যাম্পিয়ন্স লীগের নকআউট পর্বে রোনালদোর রেকর্ড তো রীতিমত ঈর্ষণীয়। মেসির নকআউট পর্বের রেকর্ডও একেবারে খারাপ নয়। তবে বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে আসলেই যেন নিজেদের হারিয়ে খোঁজেন সময়ের এই দুই মহাতারকা।

দুজনেরই এটি চতুর্থ বিশ্বকাপ। চার বিশ্বকাপ খেলে রোনালদোর গোল এখনও পর্যন্ত সাতটি, মেসির ছয়টি। তবে আশ্চর্যের বিষয় হলো, দুজনের সম্মিলিত এই ১৩ গোলের কোনটিই নকআউট পর্বের নয়! দুজনের এই ১৩ গোলের প্রতিটিই এসেছে গ্রুপ পর্বে।

১২ বছর আগে জার্মানি বিশ্বকাপে অভিষেক হয়েছিল মেসির। সার্বিয়া ও মন্টেনেগ্রোর বিপক্ষে প্রথম ম্যাচেই পেয়েছিলেন গোল। কিন্তু এরপর নকআউট পর্বে কোন গোল পাননি। ২০১০ এ সাউথ আফ্রিকা বিশ্বকাপে তো গোলের খাতাই খুলতে পারেননি। আর ২০১৪ ব্রাজিল বিশ্বকাপে চার গোল করলেও প্রতিটিই এসেছে গ্রুপ পর্বে। এই বিশ্বকাপের গোলটিও গ্রুপ পর্বে নাইজেরিয়ার বিপক্ষে। আর্জেন্টিনা ফাইনালে উঠলেও শেষ ষোলো, কোয়ার্টার ফাইনাল, সেমি ফাইনাল ও ফাইনাল সবকয়টি ম্যাচেই গোলশূন্য ছিলেন মেসি।

রোনালদোর অবস্থাও একই রকম। গোল পেয়েছেন চার বিশ্বকাপেই, কিন্তু কোনটিই নকআউট পর্বে নয়। ২০০৬ সালে গ্রুপ পর্বে ইরানের সাথে পেনাল্টি থেকে একটি, ২০১০ বিশ্বকাপে উত্তর কোরিয়ার বিপক্ষে একটি ও ২০১৪ বিশ্বকাপে ঘানার বিপক্ষে একটি করে গোল করেছেন। কিন্তু সবকয়টিই গ্রুপ পর্বের গোল। এই বিশ্বকাপেও গ্রুপ পর্বে গোল পেয়েছেন তিনি।

আর্জেন্টিনা ও পর্তুগালকে পরের পর্বে তুলতে হলে আজ নকআউট পর্বে গোলখরা ঘোচাতে হবে মেসি রোনালদো দুজনকেই। পারবেন তাঁরা?

 

Comments