খেলতে হলে বিজ্ঞানকে বুড়ো আঙুল দেখাতে হবে কাভানিকে!

উরুগুয়েকে কোয়ার্টার ফাইনালে তোলার নায়ক তিনিই। জোড়া গোল করে ছিটকে দিয়েছেন রোনালদোর পর্তুগালকে। তবে ওই ম্যাচেই মাংসপেশিতে টান পড়ায় মাঠ ছাড়তে হয়েছিল খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে। কোয়ার্টারে ফ্রান্সের বিপক্ষে খেলতে পারবেন কি না সে ব্যাপারে এখনও নিশ্চিত নয় উরুগুয়ে, তবে একজন বলছেন, খেলতে হলে বিজ্ঞানকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে তবেই খেলতে হবে কাভানিকে!
Cristiano Ronaldo helps Uruguay's Edinson Cavani
পর্তুগালের বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনালে মাংসপেশির চোট পাওয়ার পর কাভানিকে মাঠ ছাড়তে সাহায্য করেন রোনালদো। ছবি: রয়টার্স

উরুগুয়েকে কোয়ার্টার ফাইনালে তোলার নায়ক তিনিই। জোড়া গোল করে ছিটকে দিয়েছেন রোনালদোর পর্তুগালকে। তবে ওই ম্যাচেই মাংসপেশিতে টান পড়ায় মাঠ ছাড়তে হয়েছিল খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে। কোয়ার্টারে ফ্রান্সের বিপক্ষে খেলতে পারবেন কি না সে ব্যাপারে এখনও নিশ্চিত নয় উরুগুয়ে, তবে একজন বলছেন, খেলতে হলে বিজ্ঞানকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে তবেই খেলতে হবে কাভানিকে!

সেই একজনের নাম আদিল রেমি, ফ্রান্স দলের ডিফেন্ডার। ৩১ বছর বয়সী কাভানিকে নিয়ে ফ্রান্সের দুশ্চিন্তা করার কিছু দেখছেন না রেমি, কারণ তিনি মোটামুটি নিশ্চিত, এই ম্যাচে খেলার কোন বাস্তবসম্মত সম্ভাবনা নেই কাভানির।

বর্তমানে ফ্রেঞ্চ ক্লাব মার্শেইয়ে খেলা রেমি পরিষ্কার করেছেন, কেন তিনি কাভানির খেলার কোন সম্ভাবনা দেখছেন না, ‘এডিনসন কাভানি বিশ্বের অন্যতম সেরা স্ট্রাইকার। এই টুর্নামেন্টেও সে দারুণ ফর্মে আছে। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত একজনের কান্না অপরজনের মুখে হাসি এনে দেয়। কাভানি ইনজুরিতে, এটা তাই আমাদের জন্য ভালো খবর। আমিও এরকম ইনজুরিতে পড়েছিলাম। সেরে উঠতে সময় লেগেছিল আমার। আমিও চিকিৎসা বিজ্ঞানকে অবজ্ঞা করে দ্রুত মাঠে ফিরতে চেয়েছিলাম, কিন্তু এটা সহজ না। কাভানির জন্যও সহজ হবে না। ওর যদি আমাদের বিপক্ষে খেলতেই হয়, তাহলে চিকিৎসা বিজ্ঞানকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে তবেই খেলতে হবে। আমাদের তাই ওকে নিয়ে খুব বেশি দুশ্চিন্তা না করলেও চলবে।’

আগামীকাল বাংলাদেশ সময় রাত আটটায় প্রথম কোয়ার্টার ফাইনালে মুখোমুখি হবে উরুগুয়ে ও ফ্রান্স। এই ম্যাচে বিজয়ী দল সেমিফাইনালে খেলবে ব্রাজিল-বেলজিয়ামের ম্যাচে জয়ী দলের বিপক্ষে। 

আরও পড়ুন ঃ ‘ব্রাজিলের চোখে চোখ রেখে লড়বে বেলজিয়াম’

Comments

The Daily Star  | English

Lifts at public hospitals: Where Horror Abounds

Shipon Mia (not his real name) fears for his life throughout the hours he works as a liftman at a building of Sir Salimullah Medical College, commonly known as Mitford hospital, in the capital.

5h ago