সংখ্যায় সংখ্যায় উরুগুয়ে-ফ্রান্স ম্যাচ

একদিকে জমাট রক্ষণ, অন্যদিকে গতিশীল আক্রমণ, উরুগুয়ে-ফ্রান্সের ম্যাচ বলতে এই দৃশ্যই চোখে ভাসবে অনেকের। শেষ পর্যন্ত উরুগুয়ের রক্ষণ জিতবে না কি ফ্রান্সের আক্রমণ তা জানা যাবে ম্যাচ শেষেই, তবে তার আগে পরিসংখ্যানের দিকে নজর দেয়া যাক একবার।
France Training
অনুশীলনে ফ্রান্স দল। ছবি: রয়টার্স

একদিকে জমাট রক্ষণ, অন্যদিকে গতিশীল আক্রমণ, উরুগুয়ে-ফ্রান্সের ম্যাচ বলতে এই দৃশ্যই চোখে ভাসবে অনেকের। শেষ পর্যন্ত উরুগুয়ের রক্ষণ জিতবে না কি ফ্রান্সের আক্রমণ তা জানা যাবে ম্যাচ শেষেই, তবে তার আগে পরিসংখ্যানের দিকে নজর দেয়া যাক একবার।

হেড টু হেড:

১) বিশ্বকাপে এই নিয়ে চতুর্থবারের মতো মুখোমুখি হচ্ছে দুই দল। কিন্তু নকআউট পর্বে দুই দলের মোকাবেলা এই প্রথম।

২) এখনও পর্যন্ত তিনবারের মোকাবেলায় জয়ের পাল্লা হেলে আছে উরুগুয়ের দিকেই। শেষ দুই দেখায় জিতেনি কোন দলই, ২০০২ ও ২০১০ দুই বিশ্বকাপেই গোলশূন্য ড্র হয়েছে দুই দলের ম্যাচ। কিন্তু ১৯৬৬ বিশ্বকাপে ফ্রান্সকে ২-১ গোলে হারিয়েছিল উরুগুয়ে।

৩) সব মিলিয়ে দুই দল মুখোমুখি হয়েছে আটবার। এর মধ্যে ফ্রান্স জিতেছে মাত্র একবার। ১৯৮৫ সালের আগস্টে প্যারিসে এক প্রীতি ম্যাচে ২-০ গোলে জিতেছিল ফরাসিরা।

৪) দুই দলের সর্বশেষ মোকাবেলায়ও জয়ী দলের নাম উরুগুয়ে। ২০১৩ সালের জুনে মন্টেভিডিওতে প্রীতি ম্যাচে লুইস সুয়ারেজের একমাত্র গোলে ফ্রান্সকে হারিয়েছিল উরুগুয়ে।  

Uruguay Training
অনুশীলনে উরুগুয়ে। ছবি: রয়টার্স

উরুগুয়ে:

১) এই বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম চার ম্যাচেই জিতেছে উরুগুয়ে। এর আগে একবারই বিশ্বকাপে নিজেদের শুরুর চার ম্যাচ জিততে পেরেছিল উরুগুয়ে। ১৯৩০ সালে ঘরের মাটিতে সেবার চ্যাম্পিয়ন হয়েই ফিরেছিল তারা।

২) আজ জিততে পারলে নিজেদের পঞ্চম সেমিফাইনাল নিশ্চিত হবে উরুগুয়ের, গত তিন আসরে যা হবে তাদের দ্বিতীয় সেমিফাইনাল।

৩) কোয়ার্টার ফাইনালে উরুগুয়ে সর্বশেষ হেরেছিল সেই ১৯৬৬ সালে, পশ্চিম জার্মানির কাছে ৪-০ গোলে হেরেছিল তারা।

৪) রাশিয়া বিশ্বকাপে কেবল একটি গোলই হজম করেছেন উরুগুয়ে গোলকিপার ফার্নান্দো মুসলেরা, সেটিও পর্তুগালের বিপক্ষে গত ম্যাচে। বিশ্বকাপে এখনও পর্যন্ত মোট ১০ টি সেইভ করেছেন তিনি।

ফ্রান্স:

১) আজ জিতলে ২০০৬ বিশ্বকাপের পর প্রথমবারের মতো সেমিফাইনালে উঠবে ফ্রান্স।

২) বিশ্বকাপে লাতিন প্রতিপক্ষের বিপক্ষে নিজেদের শেষ ৯ ম্যাচে হারেনি ফ্রান্স। জিতেছে ৫ টিতে, আর ড্র করেছে ৪ টি। এই ৯ ম্যাচের মধ্যে ৭ টিতেই কোন গোল হজম করেনি লা ব্লুজ’রা।

৩) টিনএজার হিসেবে এক বিশ্বকাপে কিলিয়ান এমবাপের চেয়ে বেশি গোল করেছেন কেবল পেলে ও জার্মানির এডমুন্ড কোনেন।

৪) মেজর টুর্নামেন্টের নকআউট পর্বে নিজের শেষ ৫ ম্যাচে ৬ গোল করেছেন গ্রিজম্যান।

৫) গ্রিজম্যান গোল পেয়েছেন, এমন কোন ম্যাচে হারেনি ফ্রান্স। ১৯ ম্যাচের মধ্যে জিতেছে ১৭ টিতেই, আর ড্র করেছে বাকি দুই ম্যাচ।

Comments