খেলোয়াড়দের মেজাজ হারানোর ব্যাখ্যা দিলেন বেলজিয়াম কোচ

ম্যাচের তখন অন্তিম মূহুর্ত। নির্ধারিত সময়ের খেলা শেষ হয় হয়। প্রতিটি মুহূর্তই কাজে লাগাতে মরিয়া এক গোলে পিছিয়ে থাকা বেলজিয়াম। আর স্বাভাবিকভাবে সময় নষ্ট করার তালে ফ্রান্স। এতে করে কিলিয়ান এমবাপের সঙ্গে বেলজিয়ান ডিফেন্ডারদের এক চোট হয়েও গেল। ম্যাচ শেষে অবশ্য তার ব্যাখ্যা দেন বেলজিয়ামের কোচ রবার্তো মার্টিনেজ।
সময় নষ্ট করায় হলুদ কার্ড দেখছেন কিলিয়ান এমবাপে। মেজাজ হারিয়ে বেলজিয়ান ডিফেন্ডার ভার্টোগেনও দেখেন হলুদ কার্ড। ছবিতে অবশ্য ভার্টোগেনের ধাক্কায় পড়ে যাওয়া এমবাপেকে টেনে তুলছেন ভিনসেন্ট কোম্পানি

ম্যাচের তখন অন্তিম মূহুর্ত। নির্ধারিত সময়ের খেলা শেষ হয় হয়। প্রতিটি মুহূর্তই কাজে লাগাতে মরিয়া এক গোলে পিছিয়ে থাকা বেলজিয়াম। আর স্বাভাবিকভাবে সময় নষ্ট করার তালে ফ্রান্স। এতে করে কিলিয়ান এমবাপের সঙ্গে বেলজিয়ান ডিফেন্ডারদের এক চোট হয়েও গেল। ম্যাচ শেষে অবশ্য তার ব্যাখ্যা দেন বেলজিয়ামের কোচ রবার্তো মার্টিনেজ।

৯০ মিনিটে থ্রো ইনের জন্য বল বাইরে গেলে তা ধরে সময় নষ্ট করার চেষ্টায় ছিলেন এমবাপে। তখন তাকে ধাক্কা মেরে বল নিয়ে যান বেলজিয়ান ডিফেন্ডার ইয়ান ভার্টোগেন। অহেতুক সময় নষ্ট করার জন্য রেফারি অবশ্য হলুদ কার্ড দেন এমবাপেকেই। দুই মিনিট পর আবার মেজাজ হারান ভার্টোগেন। এবার তিনি দেখেন হলুদ কার্ড।

শেষ সময়ের এমন মেজাজ হারানোকে কোচ মার্টিনেজ দেখছেন স্বাভাবিক হিসেবেই, ‘মেজাজ হারানো নিয়ে বলার কিছু নেই। এমন ম্যাচ কেউ হারতে চাইবে না। শেষ বাঁশি বাজার আগে সর্বোচ্চ চেষ্টা করতে গিয়ে হয়ত এই জায়গায় আচরণ একটু খারাপ হয়ে যায়।’

ফাইনালে উঠার লড়াইয়ে দুদলই ছিল সমানে সমান। আক্রমণ-পালটা আক্রমণের প্রথমার্ধ্বও ছিল জম্পেশ। কিন্তু খেলার ফল নির্ধারিত হয়েছে এক গোলেই। এই বাস্তবতা গিলতে কষ্ট হচ্ছে বেলজিয়ান কোচেরও, ‘কঠিন হলেও সত্য যে একটা সেট পিসে এমন ম্যাচের ফল নির্ধারিত হয়ে গেল। তিক্ত স্বাদ পেলাম। হতাশ তো অবশ্যই।’

এবার বিশ্বকাপে ডার্ক হর্সের তকমা নিয়ে এসেছিল বেলজিয়াম। ১৯৮৬ সালের পর আবার উঠেছিল বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে। কিন্তু এবারও এরচেয়ে আগানো হলো না তাদের। কোয়ার্টার ফাইনালে হট ফেভারিট ব্রাজিলকে হারিয়ে ডানা মেলতে থাকা শিরোপা স্বপ্ন শেষ হলো শেষ চারে এসেই।

Comments