পেনাল্টি শুটআউটের জন্যই ভুগতে পারে ক্রোয়েশিয়া : ম্যারাডোনা

শেষ ষোলো ও কোয়ার্টার ফাইনালে দুটি ম্যাচ পেনাল্টিতে জিতে সেমিফাইনালে এসেছে ক্রোয়েশিয়া। চরম উত্তেজনাকর মুহূর্তে দুটি ম্যাচ জিতে এই পর্যায়ে আসায় স্নায়ুচাপ সামলানোর দিক থেকে অনেকটাই এগিয়ে থাকার কথা ক্রোয়াটদের। কিন্তু ডিয়েগো ম্যারাডোনা বলছেন, এই পেনাল্টি শুট আউট খেলে আসার কারণেই সেমিফাইনালে ভুগতে পারে ক্রোয়েশিয়া।
ছবি: রয়টার্স (ফাইল)

শেষ ষোলো ও কোয়ার্টার ফাইনালে দুটি ম্যাচ পেনাল্টিতে জিতে সেমিফাইনালে এসেছে ক্রোয়েশিয়া। চরম উত্তেজনাকর মুহূর্তে দুটি ম্যাচ জিতে এই পর্যায়ে আসায় স্নায়ুচাপ সামলানোর দিক থেকে অনেকটাই এগিয়ে থাকার কথা ক্রোয়াটদের। কিন্তু ডিয়েগো ম্যারাডোনা বলছেন, এই পেনাল্টি শুট আউট খেলে আসার কারণেই সেমিফাইনালে ভুগতে পারে ক্রোয়েশিয়া।

নিজের অভিজ্ঞতা থেকে ম্যারাডোনা বলছেন, দুটি ম্যাচেই অতিরিক্ত ৩০ মিনিট করে খেলে আসায় মানসিক দিক থেকে ক্লান্তিতে ভুগতে পারে দ্বিতীয়বারের মতো সেমিফাইনালে ওঠা দলটি, ‘পরপর দুই ম্যাচে পেনাল্টিতে জয় নিশ্চিত করার মানসিক শ্রান্তি কাটিয়ে ওঠা এত সহজ নয়। নিজের অভিজ্ঞতা থেকেই এমনটা বলছি আমি। ১৯৯০ তে একই অভিজ্ঞতা হয়েছিল আমাদের। কোয়ার্টার ফাইনাল ও সেমিফাইনালে যুগোস্লাভিয়া ও ইতালিকে পেনাল্টিতে হারিয়ে আসা ম্যাচে অধিনায়ক ছিলাম আমি। ক্রোয়েশিয়াও টানা দুই ম্যাচ পেনাল্টিতে জিতে এসেছে। নকআউট পর্বে এসে দুই ম্যাচে ২৪০ মিনিট খেলা, তারপর আবার টাইব্রেকারের ধকল নেয়া, এসব সামলে নেয়া খুব একটা সহজ হবে না। আমার মনে আছে, নব্বইয়ের ফাইনালেও আমরা একই রকম শ্রান্তিতে ভুগেছিলাম।’

এই শ্রান্তি কাটিয়ে তিন দিনের মধ্যেই বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল খেলতে নামাটা ক্রোয়েশিয়ার জন্য সহজ হবে না বলেই মনে করছেন ম্যারাডোনা, ‘আমি এমনটা বলছি, কারণ এত কম সময়ের মধ্যে নিজেদের রিচার্জ করে বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল খেলতে নামাটা অনেক বড় কিছু। গোলকিপার সুবাসিচের কথা ভেবে বেশি খারাপ লাগছে আমার। ও আমাকে সার্জিও গয়কোচিয়ার কথা মনে করিয়ে দিচ্ছে। গয়কোচিয়ার মতোই দুটো ম্যাচে ক্রোয়েশিয়াকে বাঁচিয়েছে ও। রাশিয়ার বিপক্ষে ম্যাচে দ্বিতীয়ার্ধে আঘাত পাওয়ার পরেও নিজের সেরাটা দিয়ে খেলেছে, বেশ কয়েকটি দারুণ সেভ করেছে ও। এরকম আরেকটি পারফরম্যান্সের পুনরাবৃত্তি করা ওদের জন্য কঠিন হবে।’

দেখা যাক, ম্যারাডোনার কথাকে ভুল প্রমাণ করতে পারেন কি না মদ্রিচ-রাকিটিচরা!

Comments

The Daily Star  | English