‘এই হারের ক্ষত অনেক দিন থাকবে’

তার বুটজোড়ার দিকেই তাকিয়ে ছিল গোটা ইংল্যান্ড। শেষ ষোলোর ম্যাচে গোল না পেলেও বাকিদের অবদানে পার পেয়ে গিয়েছিল দল। কিন্তু সেমিফাইনালে ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে হ্যারি কেইনও নিষ্প্রভ থাকলেন, বিদায়ঘণ্টা বেজে গেছে ইংল্যান্ডেরও। ফাইনালে উঠতে না পেরে ইংলিশ অধিনায়ক কেইন বলেছেন, এই হারের ক্ষত তাদেরকে অনেক দিন পোড়াবে।
হতাশায় ভেঙে পড়েছে ইংল্যান্ড

তার বুটজোড়ার দিকেই তাকিয়ে ছিল গোটা ইংল্যান্ড। শেষ ষোলোর ম্যাচে গোল না পেলেও বাকিদের অবদানে পার পেয়ে গিয়েছিল দল। কিন্তু সেমিফাইনালে ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে হ্যারি কেইনও নিষ্প্রভ থাকলেন, বিদায়ঘণ্টা বেজে গেছে ইংল্যান্ডেরও। ফাইনালে উঠতে না পেরে ইংলিশ অধিনায়ক কেইন বলেছেন, এই হারের ক্ষত তাদেরকে অনেক দিন পোড়াবে।

ম্যাচশেষে ফাইনালে উঠতে না পারার হতাশাই বড় হয়ে ধরা দিল কেইনের কণ্ঠে, ‘এটা মেনে নেয়া কঠিন। আমরা এত পরিশ্রম করেছি, দর্শকেরা এত সমর্থন দিয়ে গেছে আমাদের। ম্যাচটা কঠিন ছিল, খুব সম্ভবত ৫০-৫০। পেছন ফিরে তাকালে হয়তো আমাদের মনে হবে, আরেকটু ভালো খেলতে পারতাম। আমরা সর্বোচ্চ পরিশ্রম করেছি। এই পরাজয় আমাদের খুব কষ্ট দিচ্ছে, এবং আরও অনেকদিন এই পরাজয়ের ক্ষত আমাদের মনে থেকে যাবে।’

কিয়েরান ট্রিপিয়ারের গোলে এগিয়ে গেলেও পরে আর ম্যাচে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে পারেনি ইংলিশরা। ঠিক কেন নিজেদের মতো করে খেলতে পারেনি থ্রি লায়ন্সরা, সে বিষয়ে আর ভেবে দেখতে চাইছেন না কেইন, ‘এক গোলে এগিয়ে যাওয়ার পরেও আমরা বেশ কয়েকটি ভালো সুযোগ তৈরি করেছি। হতে পারে আমরা ওদের উপর পর্যাপ্ত পরিমাণ চাপ প্রয়োগ করতে পারিনি। এখন অনেক যদি-কিন্তু বের করা সম্ভব, কিন্তু এরকম বড় ম্যাচে ছোট ছোট ব্যাপারগুলিই পার্থক্য গড়ে দেয়।’

ইংলিশ গোলকিপার জর্ডান পিকফোর্ডের মতে, আরেকটি গোল করে ম্যাচ একেবারে শেষ করে দেয়া উচিত ছিল তার দলের, ‘আমরা ম্যাচটা জিততে চেয়েছিলাম। হতে পারে আমরা একটু আগেই গোল করে ফেলেছিলাম। তবে আমাদের আরেকটা গোল করে ক্রোয়েশিয়ার ফিরে আসার সব সম্ভাবনা শেষ করে দেয়া উচিত ছিল। বেশ কয়েকটা ভালো সুযোগও পেয়েছিলাম আমরা, তবে সেগুলো কাজে লাগাতে পারিনি।’   

 

Comments

The Daily Star  | English

Cyclone Remal: Great danger signal number 10 for Mongla, Payra

Cox's Bazar and Chattogram seaports asked to hoist danger signal number 9

1h ago