শীর্ষ খবর

‘দুর্নীতির দায়ে যাবজ্জীবন হওয়াও উচিত নয়’

দুর্নীতিবাজদের মৃত্যুদণ্ড দেওয়া উচিত কী না- এমন প্রশ্নের জবাবে ড. মাহাথির মোহাম্মদ মনে করেন দুর্নীতির দায়ে কারো যাবজ্জীবন হওয়াও উচিত নয়।

দুর্নীতিবাজদের মৃত্যুদণ্ড দেওয়া উচিত কী না- এমন প্রশ্নের জবাবে ড. মাহাথির মোহাম্মদ মনে করেন দুর্নীতির দায়ে কারো যাবজ্জীবন হওয়াও উচিত নয়।

গতকাল (২৪ সেপ্টেম্বর) লন্ডনের অক্সফোর্ড সেন্টার ফর ইসলামিক স্টাডিজে এক বক্তব্যে মালয়েশিয়ার দুর্নীতিবিরোধী জনপ্রিয় প্রধানমন্ত্রী বলেন, “দুর্নীতিবাজদের জেল-জরিমানা হতে পারে। তাদের দুর্নীতির ধরনের ওপর তা নির্ভর করবে। আমি মনে করি, বিভিন্ন ধরনের দুর্নীতির ওপর ভিত্তি করে বিভিন্ন মাত্রার শাস্তি হওয়া উচিত।”

“কিন্তু, দুর্নীতির ক্ষেত্রে আমরা এমন পরিস্থিতিতে এসে পৌঁছাইনি যে লোকজনদের যাবজ্জীবন শাস্তি দিতে হবে,” মন্তব্য মাহাথিরের।

‘মুসলিমবিশ্বে সুশাসনের চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক সেই বক্তৃতা অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া একজনের প্রশ্ন ছিলো- দুর্নীতির দায়ে একজনের মৃত্যুদণ্ড হওয়া উচিত কী না। এর জবাবে বর্ষীয়ান এই রাষ্ট্রনায়ক এমন মন্তব্য করেন।

তার মতে, মালয়েশিয়ার আদালতে কারো দুর্নীতি প্রমাণিত হলে তাকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। কোনো কোনো দেশে গুলি করে হত্যা করা হয়। যাহোক, এভাবে সমস্যার সমাধান পাওয়া সম্ভব নয় বলেও মাহাথির মন্তব্য করেন।

এছাড়াও, তার মতে, মুসলিম দেশগুলো সবেমাত্র গণতন্ত্রের চর্চা শুরু করেছে। গণতন্ত্রের গতি-প্রকৃতি বুঝতে সে দেশগুলোর আরও সময় লাগবে।

মাহাথির বলেন, “যদি আপনি বুঝতেই না পারেন যে গণতন্ত্রে ভোটগ্রহণ খুবই গুরুত্বপূর্ণ, তাহলে বুঝতে হবে আপনি গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার মধ্যে নেই।” কিছু কিছু মুসলিম দেশে গণতন্ত্রের পথে যাত্রা ধ্বংসাত্মক পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, “সব সময় তারা একটি গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার চেষ্টা করে। তাদের নিজেদের মধ্যেই দ্বন্দ্ব রয়েছে। ফলে দেশ চলে যাচ্ছে ধ্বংসের দিকে।”

তার মতে, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় জনগণই সরকার নির্বাচিত করবে এবং একটি নির্দিষ্ট সময় সরকারকে সমর্থন দিবে। কিন্তু, কিছু কিছু মুসলিম দেশে দেখা যায়, নির্বাচনের পরপরই সরকার পতনের আন্দোলন শুরু করে দেওয়া হয়।

তিনি ভোটের প্রতি সম্মান দেখানোর পাশাপাশি এমন একটি সরকার গঠনের পরামর্শ দেন যারা দেশ ও জনগণের মঙ্গলের জন্যে কাজ করবে।

Comments

The Daily Star  | English

Personal data up for sale online!

Some government employees are selling citizens’ NID card and phone call details through hundreds of Facebook, Telegram, and WhatsApp groups, the National Telecommunication Monitoring Centre has found.

5h ago