দেশে ফিরে গেছেন সাকিব, শীঘ্রই অস্ত্রোপচার

এশিয়া কাপে পাকিস্তানের বিপক্ষে বাংলাদেশ যখন ফাইনালে উঠার মহাগুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে খেলছে, তখন সাকিব আল হাসান ধরছিলেন দেশের বিমান। আঙুলের ব্যথা হঠাৎ বেড়ে যাওয়ায় তড়িঘড়ি তাকে দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। যত দ্রুত সম্ভব সাকিবের আঙুলে অস্ত্রোপচারের সম্ভাবনা জানিয়েছেন ম্যানেজার খালেদ মাহমুদ সুজন।
Shakib AL hAsan
ফাইল ছবি: বিসিবি

এশিয়া কাপে পাকিস্তানের বিপক্ষে বাংলাদেশ যখন ফাইনালে উঠার মহাগুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে খেলছে, তখন সাকিব আল হাসান ধরছিলেন দেশের বিমান। আঙুলের ব্যথা হঠাৎ বেড়ে যাওয়ায় তড়িঘড়ি তাকে দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। যত দ্রুত সম্ভব সাকিবের আঙুলে অস্ত্রোপচারের সম্ভাবনা জানিয়েছেন ম্যানেজার খালেদ মাহমুদ সুজন।

আঙুলের চোট নিয়েই এশিয়া কাপ খেলতে আসেন সাকিব। কথা ছিল এশিয়া কাপ খেলেই যাবেন অস্ত্রোপচারের টেবিলে। কিন্তু পাকিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচের আগে হুট করে বেড়ে যায় সাকিবের ব্যথা। পানি জমে আঙুল ফুলে যাওয়ায় তিনি ব্যাটই ধরতে পারছিলেন না বলে জানান খালেদ মাহমুদ। তাকে দুবাই রেখেই তাই আবুধাবি খেলতে আসে দল। সেখান থেকেই দেশের বিমান ধরেছেন তিনি।

সংবাদ মাধ্যমকে দলের ম্যানেজার খালেদ মাহমুদ সুজন জানান,  ‘আজ বিকেল চারটার ফ্লাইটে সাকিব দেশে ফিরে গেছে। এখন আঙুলে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব অস্ত্রোপচার করাতে হবে। তার ইচ্ছা ছিল নিউইয়র্কে অস্ত্রোপচার করাবে কিন্তু আপাতত মেলবোর্নে অস্ত্রোপচার করানোর সম্ভাবনাই বেশি। দেশ থেকে শনি বা রবিবার ও মেলবোর্ন যেতে পারে।’

তবে মেলবোর্ন নাকি নিউইয়র্ক কোথায় হবে সাকিবের অস্ত্রোপচার সে সিদ্ধান্ত হবে দু'একদিনের মধ্যেই। 

চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালে বাঁহাতের কনিষ্ঠা আঙুলে চোট পান সাকিব। ওই চোট থেকে ফিরে নিদহাস কাপ, আফগানিস্তান সিরিজ ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজ খেললেও চিকিৎসকরা অস্ত্রোপচারের দরকার দেখছেন সাকিবের আঙুলে। ব্যথানাশক ইনজেকশন নিয়ে খেলা চালিয়ে যাওয়া সাকিবকে এশিয়া কাপের পরই অস্ত্রোপচারের অনুরোধ করেছিলেন বোর্ড প্রধান নাজমুল হাসান। এশিয়া কাপে চার ম্যাচ ঠিকঠাক খেললেও গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে ফের চোটে পড়ে ছিটকে গেলেন তিনি।

 

 

 

Comments

The Daily Star  | English

Bangladeshi students terrified over attack on foreigners in Kyrgyzstan

Mobs attacked medical students, including Bangladeshis and Indians, in Kyrgyzstani capital Bishkek on Friday and now they are staying indoors fearing further attacks

3h ago