আইসিসির বর্ষসেরা ক্রিকেটারের পুরস্কারও পেলেন বাবর

বৃহস্পতিবার আইসিসি জানায় বেন স্টোকস, সিকান্দার রাজা ও টিম সাউদিকে পেছনে ফেলে সেরাদের সেরা হয়েছেন পাকিস্তান অধিনায়ক। 
Babar Azam

টানা দ্বিতীয়বার আইসিসির বর্ষসেরা ওয়ানডে ক্রিকেটারের স্বীকৃতি অর্জনের পর আরও বড় খবর পেলেন বাবর আজম। আইসিসির বর্ষসেরা ক্রিকেটারের সবচেয়ে বড় সম্মান স্যার গারফিল্ড সোবার্স ট্রফি জিতেছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার আইসিসি জানায় বেন স্টোকস, সিকান্দার রাজা ও টিম সাউদিকে পেছনে ফেলে সেরাদের সেরা হয়েছেন পাকিস্তান অধিনায়ক।  গেল বছর আইসিসির বর্ষসেরা ক্রিকেটার হয়েছিলেন ইংল্যান্ডের বেন স্টোকস। স্টোকসের সামনে এবারও এই স্বীকৃতি জেতার সুযোগ ছিল। বাবরের সঙ্গে শেষ পর্যন্ত পারেননি তিনি।  দুইবার করে এই পুরস্কার জিতেছেন অস্টেলিয়ার রিকি পন্টিং, মিচেল জনসন ও ভারতের বিরাট কোহলি। 

২০২২ সালের বর্ষসেরা নারী ক্রিকেটারের  'র‍্যাচেল হেহো ফ্লিন্ট' ট্রফি জিতেছেন ইংল্যান্ড অলরাউন্ডার ন্যাট সিভার। এই লড়াইয়ে তিনি পেছনে ফেলেছেন ভারতের স্মৃতি মান্ধানা, নিউজিল্যান্ডের অ্যামেলিয়া কার ও অস্ট্রেলিয়ার বেথ মুনিকে।

২০২২ সাল বাবরের কেটেছে স্বপ্নের মতো। সব সংস্করণ মিলিয়ে ৪৪ ম্যাচে ৫৪.১২ গড়ে ২৫৯৮ রান করেছেন তিনি। যা ছিল বছরের ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ সংগ্রহ।  বছর জুড়ে তার ব্যাট থেকে এসেছে ৮ সেঞ্চুরি আর ১৫ ফিফটি। দলীয় পারফরম্যান্সেও বেশ প্রভাব রেখেছেন বাবর। তার নেতৃত্বে ৪৪ ম্যাচ খেলে ২৩টিতে জয় পেয়েছে পাকিস্তান।

গেল বছর টেস্টে একাধিক স্মরণীয় ইনিংস খেলেন বাবর। পাকিস্তান অধিনায়ক ৯ টেস্ট খেলে ৬৯.৬৪ গড়ে করেন ১ হাজার ১৮৪ রান। প্রথম ইনিংসে ১৪৮ রানে গুটিয়ে হার দেখছিল পাকিস্তান। পরে অজিদের দেওয়া ৫০৬ রানের অসম্ভব লক্ষ্যে পড়ে তাদের সামনে। ম্যাচ বাঁচাতেও দুই দিন ব্যাট করার চ্যালেঞ্জ ছিল সামনে। ২১ রানে দুই ওপেনার হারানোর পর ১০ ঘন্টার লড়াইয়ে ৪২৫ বলে ১৯৬ রানের ম্যারাথন ইনিংস খেলেন তিনি।

ওয়ানডেতেই ছিলেন বেশি ঝলমলে। বছরে ৯ ম্যাচ খেলে ৩ সেঞ্চুরি ও ৫ ফিফটিতে ৮৪.৮৭ গড়ে ৬৭৯ রান করেন তিনি। পঞ্চাশের নিচে আউট হন স্রেফ একবার!

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের বছরে ২৬টি সংক্ষিপ্ত সংস্করণের ম্যাচ খেলে ৩১.৯৫ গড়ে ৭৩৫ রান করেন পাকিস্তান অধিনায়ক।

Comments

The Daily Star  | English
wage workers cost-of-living crisis

The cost-of-living crisis prolongs for wage workers

The cost-of-living crisis in Bangladesh appears to have caused more trouble for daily workers as their wage growth has been lower than the inflation rate for more than two years.

1h ago