বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড সিরিজ

‘কয়েক সেশন খেলার আগে মিরপুরের উইকেটের আচরণ বোঝাই যায় না’

মিরপুর এমনিতে ঐতিহ্যগতভাবেই স্পিনারদের স্বর্গ। এখানে টেস্টে পেসার ছাড়াও খেলার একাধিক নজির আছে বাংলাদেশের। অতি টার্নিং, মন্থর আর উঁচু-নিচু বাউন্সের কারণে ব্যাটারদের কাজ এখানে বরাবরই বেশ কঠিন।
Chandika Hathurusingha
উইকেট বোঝার চেষ্টা করছেন চণ্ডিকা হাথুরুসিংহে। ছবি: ফিরোজ আহমেদ

সিলেটে কন্ডিশন বুঝে একাদশের সমন্বয় ঠিক করে সাফল্য আনতে পেরেছে বাংলাদেশ। মিরপুরে একই তরিকায় হেঁটে ফল মিলবে কিনা তা নিয়ে নিশ্চিত নন বাংলাদেশের প্রধান কোচ চণ্ডিকা হাথুরুসিংহে। তার মতে এখানে কয়েক সেশন খেলার আগে বোঝাই যায় না উইকেটের আচরণ কেমন হতে পারে।

মিরপুর এমনিতে ঐতিহ্যগতভাবেই স্পিনারদের স্বর্গ। এখানে টেস্টে পেসার ছাড়াও খেলার একাধিক নজির আছে বাংলাদেশের। অতি টার্নিং, মন্থর আর উঁচু-নিচু বাউন্সের কারণে ব্যাটারদের কাজ এখানে বরাবরই বেশ কঠিন।

তবে মিরপুরে সর্বশেষ আফগানিস্তানের বিপক্ষে টেস্টে ভিন্ন এক ধরণের উইকেটের দেখা মিলেছিলো। এবার উপমহাদেশের বাইরের দল নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ঘূর্ণি উইকেটই প্রত্যাশিত।

সেক্ষেত্রে আগের টেস্টের মতন তিন স্পিনার আর এক পেসারের সমন্বয় নিয়ে নামবে কিনা বাংলাদেশ? সংবাদ সম্মেলনে এমন প্রশ্নের জবাবে মিরপুরের উইকেট নিয়ে নিজেদের অস্পষ্টতা জানিয়ে দিলেন হাথুরুসিংহে,  'এটা পিচের অবস্থার ওপর নির্ভর করবে। আর অবশ্যই আমাদের শক্তিমত্তার ওপরও। যেমনটা আপনি বললেন, সিলেটে আমরা বেশ ভালো ক্রিকেট খেলেছি। ৫ দিনের প্রতিটিতেই আমরা আধিপত্য বিস্তার করেছি। ভালোভাবে লড়াই করেছি। সেখানেও আমরা আমাদের শক্তি আর সিলেটের কন্ডিশনের ওপর ভিত্তি করেই দলটা বানিয়েছিলাম। আর মিরপুরের কথা আপনি জানেন, কখনো কখনো মাঠে নামার আগে আপনি বুঝবেন না পিচ কেমন আচরণ করতে যাচ্ছে, এমনকি কয়েকটা সেশন না খেললে বোঝা যায় না (উইকেট কেমন)। যেহেতু এখানে অনেক বেশি খেলা হয়... আমার মনে হয় না বিশ্বের আর কোনো মাঠে এত বেশি খেলা হয়, যতটা এই মাঠে হয়ে থাকে। তো আমরা চেষ্টা করব খুব বেশি পরিবর্তন না করতে।'

চোট সমস্যা না থাকলে সিলেট টেস্টের একাদশই মিরপুরে দেখার সম্ভাবনা প্রবল। বাংলাদেশের কোচের মতে প্রতিপক্ষের শক্তিমত্তার উপর বিবেচনা করে যেকোনো দলই এই পথে হাঁটবে, 'আপনি যদি ক্রিকেট বুঝে থাকেন, তাহলে বুঝবেন যে দলটা কন্ডিশনের ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়। সঙ্গে প্রতিপক্ষের দুর্বলতার কথা মাথায় রেখে ট্যাকটিকালি বিষয়টা সামলানো হয়। শেষ ম্যাচটা আমরা এখানে খেলেছি আফগানিস্তানের বিপক্ষে, সেটা ভিন্ন পিচ ছিল... তখন এখানে অনেকদিন ক্রিকেট হয়নি, পিচটা তৈরি করার সুযোগ ছিল...তখন আমরা ৩ পেস বোলার নিয়ে নামার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। যদি আপনার মনে থাকে, এর আগের ম্যাচটা ছিল আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে, যেখানে উইকেটটা ভিন্ন ছিল।  তবে বিষয়টা হচ্ছে, আমাদের এখন সব ধরনের স্কিলসেট আছে। সেটা এখন যেমন ইচ্ছা আমরা ব্যবহার করতে পারি। সেটা এখন দলের জন্য বেশ ভালো।'

Comments

The Daily Star  | English
Bangladesh lacking in remittance earning compared to four South Asian countries

Remittance hits eight-month high

In February, migrants sent home $2.16 billion, up 39% year-on-year

1h ago