বিপিএল না খেলেই বাংলাদেশ ছাড়লেন হারিস

পিসিবি থেকে অনাপত্তি পত্র না পাওয়ায় বাংলাদেশ ছাড়তে হলো পাকিস্তানি ক্রিকেটার হারিসকে

মোহাম্মদ হারিসের সঙ্গে সরাসরি চুক্তি করে দলে ভিড়িয়েছিল বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) অন্যতম ফ্র্যাঞ্চাইজি চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স। পাকিস্তান দলের নিয়মিত সদস্য না হওয়ায় এরমধ্যেই বাংলাদেশে চলে এসেছিলেন ক্রিকেটার। কিন্তু অনাপত্তি পত্র জোগাড় করতে পারেননি। যে কারণে বিপিএল না খেলেই ফিরতে হচ্ছে তাকে।

রোববার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানিয়েছে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স কর্তৃপক্ষ। বিবৃতিতে তারা জানায়, 'পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের কাছ থেকে দশম বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে খেলার জন্য এনওসি (অনাপত্তি পত্র) না পাওয়ায় চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স ক্যাম্প ছেড়েছেন পাকিস্তানের ব্যাটার মোহাম্মদ হারিস।'

শুধু হারিসই নন। এবার আরও বেশ কয়েকজন পাকিস্তানি ক্রিকেটারকে বিপিএলে খেলার অনুমতি দেয়নি পিসিবি। ফখর জামান, ইফতিখার আহমেদ, নাসিম শাহ ও মোহাম্মদ হাসনাইনরাও পারছেন না খেলতে। ফরচুন বরিশালের সঙ্গে চুক্তি করেছিলেন ফখর। কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সে খেলার কথা ছিল ইফতিখার ও নাসিম শাহর। হারিসের সঙ্গে হাসনাইনও ছিলেন চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সে। এছাড়া দুর্দান্ত ঢাকার তরুণ সাইম আইয়ুবও অনাপত্তি পত্র পাননি।

জানা গেছে আসন্ন পাকিস্তান সুপার লিগ (পিএসএল) ও টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ মাথায় রেখে তাদের অনাপত্তি দেয়নি পিসিবি। আর এক বছরে তিনটির বেশি ফ্র্যাঞ্জাইজি লিগ খেলার অনুমতি নেই পাকিস্তানি ক্রিকেটারদের। ২০২৩ সালের জুলাইয়ের পর এরমধ্যেই দুটি বিদেশি লিগ খেলে ফেলেছেন হারিস। যে কারণে চট্টগ্রামের অনুশীলন ক্যাম্পে যোগ দিয়েও ফিরতে হলো তাকে।

তবে চট্টগ্রামের হয়ে খেলার জন্য উন্মুখ ছিলেন হারিস। ভারাক্রান্ত হৃদয় নিয়েই বাংলাদেশ ছেড়েছেন তিনি। তবে বিপিএলের পরবর্তী মৌসুমে চ্যালেঞ্জার্সের হয়ে খেলার অঙ্গীকার করেছেন এই ক্রিকেটার। এদিকে সন্তানের অসুস্থতার কারণে চট্টগ্রাম থেকে নিজের নাম প্রত্যাহার করে নিয়েছেন পেস বোলিং অলরাউন্ডার জিয়াউর রহমানও।

Comments

The Daily Star  | English
forex reserves of Bangladesh

Forex reserves to get $2b boost

Bangladesh’s foreign currency reserves are set to receive as high as $2 billion this month, which may send the total to nearly $21 billion, handing a much-needed relief to the US dollar supply.

7h ago