মিরপুরের উইকেট: হেসনের অভিযোগ, ইমনের প্রত্যাখ্যান

বাংলাদেশের বিপক্ষে ব্যাটিং ব্যর্থতার পর মিরপুরের উইকেটের কঠোর সমালোচনা করলেন পাকিস্তানের কোচ মাইক হেসন। ম্যাচ শেষে স্পষ্ট ভাষায় নিজের হতাশা প্রকাশ করে সরাসরিই জানিয়ে দিলেন, মিরপুরের উইকেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের মানে পড়ে না। তবে উইকেটকে স্বাভাবিকই মনে করছেন টাইগার ওপেনার পারভেজ হোসেন ইমন।

এদিন বাংলাদেশের কাছে পাত্তাই পায়নি পাকিস্তান। যদিও তাদের ইনিংসের শুরুটা ছিল ভালো। তবে টাইগার বোলারদের তোপে পরে আর কুলিয়ে উঠতে পারেননি। যার নেতৃত্ব দিয়েছেন তাসকিন আহমেদ ও মোস্তাফিজুর রহমান। তবে শুরুতে পাওয়া আত্মবিশ্বাসই তাদের ডুবিয়ে বলে মনে করেন হেসন।

ব্যাটিং ব্যর্থতার পর পাকিস্তানি কোচ বলেন, 'আমরা ইনিংসটা শুরু করেছিলাম বেশ ভালোভাবে। ফখর জামান চার-পাঁচটা শট খেলেছিল। এতে আমাদের একটা ভুল ধারণা তৈরি হয়েছিল উইকেটের আচরণ নিয়ে। মাঝের দিকে আমরা নিজেদের সাহায্য করিনি। কিছু খারাপ সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। যখন বল একটু বেশি মুভ করতে শুরু করে, আর হঠাৎ করে অনেক উঁচুতে লাফিয়ে উঠছিল, তখন আমরা সম্ভবত বুঝে উঠতে পারিনি যে এমন কন্ডিশনে ঝুঁকিপূর্ণ শট খেলা আরও কঠিন হয়ে পড়ে। দু-একটি রান আউটও আমাদের পরিস্থিতি আরও জটিল করেছে।'

উইকেট নিয়ে তার অসন্তোষের জায়গাটা আরও স্পষ্ট করেন হেসন, 'আমি মনে করি এটি কারোর জন্যই আদর্শ নয়। দলগুলো এখন এশিয়া কাপ বা (টি-টোয়েন্টি) বিশ্বকাপের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে। এমন কন্ডিশন গ্রহণযোগ্য নয়। অবশ্যই আমরা ব্যাট হাতে যেসব সিদ্ধান্ত নিয়েছি তার জন্য এটি কোনো অজুহাত হতে পারে না। কিন্তু এই পিচ আন্তর্জাতিক মানের নয়—এটি সত্যি।'

তবে হেসনের এই মন্তব্যের সঙ্গে একমত নন বাংলাদেশের ওপেনার পারভেজ হোসেন ইমন। তাঁর ব্যাখ্যা, উইকেট নিয়ে কোনো অতিরিক্ত সমস্যা দেখেননি তিনি, 'নাহ, এমন কিছু মনে হয়নি। আমরা ১১০ রান করছি ১৬ ওভারে। আমরা যদি ২০ ওভারও খেলতাম ১৬০ রান করতে পারতাম। তো আমার কাছে এমন কিছু মনে হয়নি। হতে পারে ওরা মানিয়ে নিতে পারিনি, আমরা মানিয়ে নিতে চেষ্টা করছি।'

তবে উইকেট যে কিছুটা হলেও বোলারদের সাহায্য করেছে, তা অস্বীকার করেননি টাইগার এই ওপেনার, 'বোলারদের জন্য মিরপুরের উইকেটে একটু বেনিফিট থাকে এটা নরম্যাল জিনিস। চেষ্টা করছি যত দ্রুত উইকেটটা অ্যাসেস করে সেট হওয়া যায়। এটা সবচেয়ে আগের প্ল্যানিং ছিল।'

তবে নিজেদের কাজটা সঠিকভাবে করতে পারাতেই জয় মিলেছে জানিয়ে আরও বলেন, 'আমরা দ্রুত অ্যাসেস করতে পারছি, দুটো উইকেট আর্লি পড়তেই পারে এটা স্বাভাবিক। কিন্তু আমরা অন্যরা যারা ব্যাটিং করছি উইকেটটা অ্যাসেস করছি। উইকেটে ইভেন বাউন্স ভালো ছিল, এক-দুইটা আনইভেন হতেই পারে। ওখানে কিছু ভাঙা ছিল ওখানে পড়ে দুই একটা এদিক ওদিক হতেই পারে।'

Comments

The Daily Star  | English
Remittance Earnings of Four South Asian Countries

Bangladesh back in South Asia remittance race

Bangladesh has returned to a competitive remittance growth path in line with its South Asian neighbours, with a larger-than-usual flow of money sent home by expatriates following the political changeover in August last year.

12h ago