সেই ফ্রান্সকেই অবনমন থেকে রক্ষা করল ক্রোয়েশিয়া!

রাশিয়ায় প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ জয়ের দারুণ সুযোগ সামনে এসেছিল ক্রোয়েশিয়ার সামনে। কিন্তু ফরাসিদের বিপক্ষে ফাইনালে পেরে ওঠেনি লুকা মদ্রিচের দল। ৪-২ গোলের ব্যবধানে হেরে রানার্সআপ হয়েই সন্তুষ্ট হতে হয় তাদের। সেই দলটিই আগের দিন বড় লজ্জা থেকে বাঁচিয়েছে ফ্রান্সকে!

রাশিয়ায় প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ জয়ের দারুণ সুযোগ সামনে এসেছিল ক্রোয়েশিয়ার সামনে। কিন্তু ফরাসিদের বিপক্ষে ফাইনালে পেরে ওঠেনি লুকা মদ্রিচের দল। ৪-২ গোলের ব্যবধানে হেরে রানার্সআপ হয়েই সন্তুষ্ট হতে হয় তাদের। সেই দলটিই আগের দিন বড় লজ্জা থেকে বাঁচিয়েছে ফ্রান্সকে!

রোববার রাতে কোপেনহেগেনের পারকেন স্টেডিয়ামে ফ্রান্সকে ২-০ গোলের ব্যবধানে হারায় ডেনমার্ক। তাতে উয়েফা নেশন্স লিগের দ্বিতীয় স্তরে নামার বড় শঙ্কা ছিল বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের। কিন্তু তাদের সে লজ্জা পেতে হয়নি। কারণ অস্ট্রিয়াকে হারায় ক্রোয়েশিয়া। ক্রোয়েটরা হারলে বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের কি-না খেলতে হতো দ্বিতীয় স্তরে।

সাম্প্রতিক সময়টা খুব একটা ভালো যাচ্ছে না ফ্রান্সের। বিশেষকরে উয়েফা নেসন্স লিগে। আসরে এবার ছয় ম্যাচের তিনটিতে হেরেছে তারা। যার দুটি আবার ডেনমার্কের বিপক্ষে। এই ডেনমার্ক আসন্ন কাতার বিশ্বকাপে তাদের সঙ্গে একই গ্রুপে পড়েছে। জয় মাত্র একটি ম্যাচে। তাও অবনমন হওয়া অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে।

ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে আগের অবনমন এড়ানোর লক্ষ্যে নেমেছিল অস্ট্রিয়া। প্রথমার্ধে সমান তালে লড়াইও করে দলটি। তবে দ্বিতীয়ার্ধে লড়াইটা জমাতে পারেনি। এ অর্ধে দুটি গোল হজম করে শেষ পর্যন্ত ৩-১ গোলের হারের অবনমন নিশ্চিত হয়ে যায় তাদের।

চার দলের লড়াইয়ে ৬ ম্যাচে ৫ পয়েন্ট নিয়ে তাই অল্পের জন্য বেঁচে যায় বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। কারণ ৬ ম্যাচে ৪ পয়েন্ট সংগ্রহ করতে পেরেছিল অস্ট্রিয়া। সমান ম্যাচে সর্বোচ্চ ১৩ পয়েন্ট নিয়ে সেরা চারে উঠে গেছে ক্রোয়েশিয়া। ১২ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় হয় ডেনমার্ক।

অবশ্য এ ম্যাচে নিজেদের সেরা একাদশ মাঠে নামাতে পারেনি ফ্রান্স। পল পগবা, করিম বেনজেমা, জুলস কুন্দে, উগো লরিসরা ইনজুরিতে পড়ে খেলতে পারেননি। সম্পূর্ণ ফিট ছিলেন না উসমান দেম্বেলেও।  

নেশন্স লিগে আগের দিন অনুষ্ঠিত হয় আরও দুটি ম্যাচ। সেখানে নিজ নিজ ম্যাচে জয় পেয়েছে নেদারল্যান্ডস ও পোল্যান্ড। বেলজিয়ামকে ১-০ ব্যবধানে হারিয়েছে ডাচরা। আর ওয়েলসকে একই ব্যবধানে হারায় পোলিশরা।

Comments

The Daily Star  | English
wage workers cost-of-living crisis

The cost-of-living crisis prolongs for wage workers

The cost-of-living crisis in Bangladesh appears to have caused more trouble for daily workers as their wage growth has been lower than the inflation rate for more than two years.

1h ago