বাংলাদেশের দাপুটে পারফরম্যান্সের কারণ জানালেন রাকিব

রক্ষণাত্মক ফুটবল ছেড়ে পাসিং ফুটবলে আক্রমণাত্মক খেলার কারণেই দলের এমন পরিবর্তন বলে জানালেন প্রথম গোলদাতা রাকিব হোসেন।

এক সময় মালদ্বীপের বিপক্ষে হেসেখেলেই জিততো বাংলাদেশ। কালের বিবর্তনে এখন কালেভদ্রে সেই দলটির বিপক্ষে কষ্টার্জিত জয় পায় তারা। কিন্তু রোববার বেঙ্গালুরুতে মালদ্বীপের বিপক্ষে প্রায় এক চেটিয়া ফুটবল খেলেই জয় তুলে নিল বাংলাদেশ। রক্ষণাত্মক ফুটবল ছেড়ে পাসিং ফুটবলে আক্রমণাত্মক খেলার কারণেই দলের এমন পরিবর্তন বলে জানালেন প্রথম গোলদাতা রাকিব হোসেন। 

শ্রী কান্তিরাভা স্টেডিয়ামে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে 'বি' গ্রুপে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে মালদ্বীপের বিপক্ষে এদিন ৩-১ গোলের জয় পেয়েছে। তাও ম্যাচের ১৭তম মিনিটেই পিছিয়ে পড়েছিল তারা। সেখান থেকে ঘুরে দাঁড়িয়ে জয় তুলে নেয় দলটি। তাতে মিলছে পুরনো দিনের সুবাস।

ম্যাচে দুই-একটি বিচ্ছিন্ন আক্রমণ ছাড়া তেমন কিছুই করতে পারেনি মালদ্বীপ। আচমকা একটি শট থেকে এসেছে গোল। এছাড়া পুরো ম্যাচে প্রাধান্য ছিল বাংলাদেশেরই। ফরোয়ার্ডরা আরও একটু নিখুঁত হতে পারলে হয়তো হাফ ডজনেরও বেশি গোল মিলতে পারতো। তবে এই ম্যাচের আগের পাঁচ ম্যাচের চারটিতেই হারতে হয়েছিল মালদ্বীপের বিপক্ষে। সাফে তো জিতেছিল ২০ বছর আগে।

বাংলাদেশের এমন দাপুটে পারফরম্যান্সের কারণ ব্যাখ্যা করে রাকিব বললেন, 'দেখেন আগে যেমন আমরা লং বলের ফুটবল খেলতাম এখন আমরা কিন্তু পাসিং ফুটবল খেলছি, বিল্ড আপ ফুটবল খেলছি। পুরো দলই আগের চেয়ে অনেক পরিবর্তিত। আমরা আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলেছি, যার ফলেই আমরা ৩-১ গোলে জয় পেয়েছি।'

চোট থেকে ফেরার কারণে প্রথম ম্যাচে শুরুর একাদশে ছিলেন না রাকিব। শেষ দিকে নেমেছিলেন। এদিন শুরু থেকেই খেলেন। আর ফেরার ম্যাচেই গোল পান তিনি। তাতে দারুণ উচ্ছ্বসিত এ ফরোয়ার্ড, 'খুবই ভালো লাগছে। সাফে এটা আমার প্রথম গোল। আন্তর্জাতিক গোল আছে, তবে সাফে এটাই আমার প্রথম। তাই বেশিই ভালো লাগছে। তবে ম্যাচটা জিততে পেরেছি এই জন্য আরও বেশি ভালো লাগছে।'

এই জয়ে দারুণভাবে আসরে টিকে রইল বাংলাদেশ। প্রথম ম্যাচে লেবাননের বিপক্ষে ০-২ গোলে হারায় এই ম্যাচে জিততেই হতো তাদের। ড্র করলেও সুযোগ থাকতো। সেক্ষেত্রে ভুটানের বিপক্ষে জয়ের পাশাপাশি অন্য দলগুলোর ফলাফলের দিকেও তাকিয়ে থাকতে হতো। এখন শেষ ম্যাচে জিতলেই পাঁচ আসর পর আবার সেমিতে খেলবে বাংলাদেশ।

তাই মালদ্বীপের বিপক্ষে এই জয়ে আত্মতুষ্টিতে ভুগতে চান না রাকিব। তাকিয়ে আছেন পরের ম্যাচের দিকে, 'আসলে এই ম্যাচ নিয়ে আমরা তেমন আনন্দ করতে চাই না। কারণ সামনের ম্যাচটা অনেক গুরুত্বপূর্ণ। আমরা সামনের ম্যাচটা জিততে চাই।'  

Comments

The Daily Star  | English

Mirpur-10 intersection: Who will control unruly bus drivers?

A visit there is enough to know why people suffer daily from the gridlock: a mindless completion of busses to get more passengers

13m ago