দোন্নারুমার গল্পে আরেকটি টুইস্ট

চ্যাম্পিয়ন্স লিগ মঞ্চে দুর্দান্ত পারফর্মের পর স্বাভাবিকভাবেই প্রত্যাশা ছিল জিয়ানলুইজি দোন্নারুমাই থাকবেন পিএসজির বারপোস্ট সামলানোর দায়িত্বে। কিন্তু হুট করেই পাল্টে যায় সব। নতুন মৌসুমের শুরু হতে না হতেই জানা যায়। তার প্রতি আর আস্থা নেই কোচ লুইস এনরিকের। বেঞ্চে বসে থাকতে না চাইলে নতুন ক্লাব খুঁজতে হবে তাকে।
কিন্তু এই ইতালিয়ান গোলরক্ষককে ঘিরে তৈরি হওয়া অনিশ্চয়তার অধ্যায় যেন শেষই হচ্ছে না। পিএসজির হয়ে পার্ক দে প্রিন্সেসে শেষ ম্যাচ খেলে সমর্থক ও সতীর্থদের বিদায় জানিয়েছেন তিনি। তাতে পরিষ্কার হয়ে গিয়েছিল, পিএসজিতে তার অধ্যায় শেষের পথে। কিন্তু কোথায় নতুন শুরু করবেন, সেটিই সবচেয়ে বড় প্রশ্ন।
প্রথমে দৃঢ় প্রত্যাশা ছিল, দোন্নারুমার পরবর্তী গন্তব্য হবে ম্যানচেস্টার সিটি। পেপ গার্দিওলার হাতে নতুন রূপে নিজেকে মেলে ধরবেন এমন আভাসই মিলছিল ইউরোপীয় গণমাধ্যমে। কিন্তু সময় গড়িয়েছে, চুক্তি হয়নি। এরই মধ্যে ইউরোপের গ্রীষ্মকালীন ট্রান্সফার উইন্ডো শেষ হওয়ার পথে। পরিস্থিতি না পাল্টালে অন্তত জানুয়ারি পর্যন্ত পিএসজিতেই আটকে থাকতে হবে ইতালির এই গোলরক্ষককে।
তবু গল্পের মোড় ঘুরতে পারে শেষ মুহূর্তে। ইংল্যান্ড নয়, বরং তুরস্কের গালাতাসারে উঠে এসেছে আলোচনায়। স্থানীয় সংবাদমাধ্যম ফানাতিক জানিয়েছে, ২৬ বছর বয়সী দোনারুম্মাকে দলে নিতে প্রবল আগ্রহী তারা। আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা, প্রতিযোগিতামূলক মানসিকতা আর তরুণ বয়স সব মিলিয়ে গালাতাসারারের চোখে দোনারুম্মা এখন সবচেয়ে কাঙ্ক্ষিত নাম।
সময় ফুরোচ্ছে দ্রুত। কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বন্ধ হয়ে যাবে ট্রান্সফার মার্কেটের দরজা। তাই খুব শিগগিরই জানা যাবে, দোন্নারুমার ভাগ্যে কী লেখা আছে। তবে একটি বিষয় নিশ্চিত, পিএসজিতে থেকে গেলে মাঠে নামার সুযোগ খুব বেশি মিলবে না তার। কারণ কোচ লুইস এনরিকে ইতিমধ্যেই খোলাখুলি জানিয়ে দিয়েছেন, দোন্নারুমার প্রতি তার আস্থা নেই বললেই চলে।
Comments