মহাগুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে সেরা পেসারকে পাচ্ছে না শ্রীলঙ্কা

আমিরাতকে বিধ্বস্ত করতে পেসের ঝাঁজে যিনি রেখেছিলেন সবচেয়ে বড় অবদান সেই দুশমন্ত চামিরাকে নিয়ে খারাপ খবর শুনল শ্রীলঙ্কা।
Dushmantha Chameera

নামিবিয়ার কাছে প্রথম ম্যাচ হারার পর বিপাকে পড়ে যাওয়া শ্রীলঙ্কা পরের ম্যাচে সংযুক্ত আরব আমিরাতকে উড়িয়ে ঘুরে দাঁড়িয়েছে। আমিরাতকে বিধ্বস্ত করতে পেসের ঝাঁজে যিনি রেখেছিলেন সবচেয়ে বড় অবদান সেই দুশমন্ত চামিরাকে নিয়ে খারাপ খবর শুনল শ্রীলঙ্কা। সুপার টুয়েলভে যাওয়ার জন্য বাঁচা-মরার লড়াইয়ে এই ডানহাতি পেসারকে পাচ্ছে না তারা।

লঙ্কান টিম ম্যানেজমেন্ট জানিয়েছে পায়ের পেশির চোটে প্রথম রাউন্ডের শেষ ম্যাচে নেদারল্যান্ডের বিপক্ষে মাঠে নামা হবে না চামিরার। সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষে ৭৯ রানের জয়ে বল হাতে অবদান ছিল তার। আমিরাতকে ৭৩ রানে গুটিয়ে দিতে ১৫ রানে তিনি নেন ৩ উইকেট।

প্রথম দুই ওভারের স্পেলেই কেবল ৪ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে প্রতিপক্ষকে ব্যাকফুটে ঠেলে দিয়েছিলেন তিনি। তবে নিজের পুরো চার ওভারের স্পেল শেষ করতে পারেননি। ৩.৫ ওভার করার পর পায়ে অস্বস্তি অনুভব করায় মাঠের বাইরে চলে যান। পরে জানা যায় চোট অন্তত আরও এক ম্যাচ মাঠের বাইরে রাখবে তাকে।

ক্রিকেট ওয়েবসাইট ইএসপিএন ক্রিকইনফোকে দলটির মেডিকেল বিভাগের প্রধান অর্জুনা ডি সিলভা জানান, চামিরাকে পরের ম্যাচে খেলবেন না নিশ্চিত। এরপর মূল পর্বে গেলে তাকে কবে পাওয়া  যাবে তা নিয়েও আছে অনিশ্চয়তা।

এশিয়ান চ্যাম্পিয়ন লঙ্কানরা চোট নিয়ে শুরু থেকেই বেশ অস্বস্তিতে। বাঁহাতি ব্যাটার দানুশকা গুনাথিলেকা ও পেসার প্রমোদ মাদুশানেরও আছে চোট সমস্যা। তবে মাদুশান পরের ম্যাচ খেলবেন বলেই নিশ্চিত করেছেন দলের চিকিৎসক।

বৃহস্পতিবার 'এ' গ্রুপে নিজেদের শেষ ম্যাচে নেদারল্যান্ডের বিপক্ষে নামবে শ্রীলঙ্কা। দুই ম্যাচ জিতে ৪ পয়েন্ট থাকায় শীর্ষে আছে ডাচরা। ২ পয়েন্ট নিয়ে নেট রান রেটে এগিয়ে দুইয়ে নামিবিয়া। শ্রীলঙ্কার অবস্থান তিনে হলেও রানরেটের সুবিধায় আছে তারা। গ্রুপের শেষ দল আমিরাত আছে খালি হাতে।

শেষ ম্যাচে নেদারল্যান্ডকে হারাতে পারলেই সুপার টুয়েলভ নিশ্চিত হয়ে যাবে দাসুন শানাকার দলের। অন্য ম্যাচে নামিবিয়া যদি আমিরাতকে হারায় তাহলে প্রথম দুই ম্যাচ জিতেও বাদ পড়তে হবে নেদারল্যান্ডকে।

Comments

The Daily Star  | English

Why are investors leaving the stock market?

Stock investors in Bangladesh are leaving the share market as they are losing their hard-earned money because of the persisting fall of the indices driven by the prolonged economic crisis, the worsening health of the banking industry, and rising interest and exchange rates.

8h ago