বরিস জনসন: নায়ক থেকে খলনায়ক

সত্তরের দশকের জনপ্রিয় রক ব্যান্ড ‘কুইন’- এর গানের ভাষায়, ‘অ্যানাদার ওয়ান বাইটস দ্য ডাস্ট’, অর্থাৎ আরও এক রাজনৈতিক মহারথী ধুলোয় গড়াগড়ি খেলেন। বস্তুত, অনেক জল ঘোলা করে অবশেষে গতকাল বৃহস্পতিবার প্রধামন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দিলেন বরিস জনসন।
যুক্তরাজ্যের বিদায়ী প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। ছবি: পিএ
যুক্তরাজ্যের বিদায়ী প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। ছবি: পিএ

সত্তরের দশকের জনপ্রিয় রক ব্যান্ড 'কুইন'- এর গানের ভাষায়, 'অ্যানাদার ওয়ান বাইটস দ্য ডাস্ট', অর্থাৎ আরও এক রাজনৈতিক মহারথী ধুলোয় গড়াগড়ি খেলেন। বস্তুত, অনেক জল ঘোলা করে অবশেষে গতকাল বৃহস্পতিবার প্রধামন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দিলেন বরিস জনসন।

একইসঙ্গে, টোরি দল হিসেবে পরিচিত কনজারভেটিভ (রক্ষণশীল) দলের নেতার পদ থেকেও তাকে ইস্তফা দিতে হল। মোটামুটি দীর্ঘ রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে নায়ক থেকে খলনায়ক, সব ভূমিকাতেই আমরা বরিসকে দেখতে পেলাম।

তবে বরিস জানিয়েছেন, দল তার জায়গায় নতুন কাউকে নির্বাচন করার আগ পর্যন্ত তত্ত্বাবধায়ক প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন তিনি।

সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে বরিস জনসনকে ব্যর্থ রাষ্ট্রনায়ক হিসেবেই চিত্রিত করা হয়েছে। একের পর এক ভুল সিদ্ধান্ত ও কেলেঙ্কারির ঘটনা ফাঁস হওয়ায় তিনি ছিলেন বিব্রত ও বিপর্যস্ত।

এক সময় জনপ্রিয়তার তুঙ্গে থাকা এই ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর ক্যারিয়ারে রয়েছে প্রচুর উত্থান-পতন।

ক্রিস পিনচারের বিতর্কিত নিয়োগ

টোরি দলের আইনপ্রণেতা ক্রিস পিনচারকে সম্প্রতি গুরুত্বপূর্ণ এক পদে নিয়োগ দেন বরিস। 'প্যাসটোরাল সেবা'র (নৈতিকতা সম্পর্কিত বিষয়) দায়িত্ব পান এই বিতর্কিত আইনপ্রণেতা। তবে তিনি যে বিতর্কিত, সে বিষয়ে অজ্ঞানতার কথা জানান বরিস ও ডাউনিং স্ট্রিট। পরে অবশ্য তারা তাদের অবস্থান থেকে সরে আসতে বাধ্য হন।

পিনচারের সঙ্গে বরিস। ছবি: রয়টার্স

পিনচারের বিরুদ্ধে অভিযোগ, নেশাগ্রস্ত অবস্থায় লন্ডনের কার্লটন ক্লাবে তিনি ২ জন পুরুষের সঙ্গে যৌন অসদাচরণ করেন। এ বিষয়টি সম্পর্কে বরিস জনসনকে ২০১৯ সালে জানানো হয়েছিল।

তবে বিবিসির তথ্য মতে, এ তথ্য জানা সত্ত্বেও ২০২০ সাল থেকে আবাসনমন্ত্রীর দায়িত্বে থাকা ক্রিস পিনচারকে এ বছর ডেপুটি হুইপের দায়িত্ব দেন বরিস।

এ প্রসঙ্গে টোরি দলের এমপি ও বরিস জনসনের সমালোচক মার্ক হার্পার বলেন, 'হুইপরা দলের অন্যান্য এমপিদের প্যাসটোরাল (নৈতিককতা সম্পর্কিত বিষয়) সেবার দায়িত্বে থাকেন। মি. পিনচারকে এ দায়িত্ব দেওয়ায় আমার পার্লামেন্টারি সহকর্মীদের সার্বিক মঙ্গল ও নিরাপত্তার প্রতি চরম উদাসীনতা দেখানো হয়েছে।'

৩০ জুন পদত্যাগ করেন ডেপুটি হুইপ পিনচার। তার একদিন পর, ১ জুলাই দলের এমপির পদ থেকে বরখাস্ত করা হয় ট্যামওয়ার্থ থেকে নির্বাচিত এই আইনপ্রণেতাকে।

৬ জুলাই বরিস জনসন পার্লামেন্টে স্বীকার করেন, ২০১৯ সালে তাকে পিনচারের বিরুদ্ধে অভিযোগ সম্পর্কে জানানো হয়েছিল এবং এ বিষয়টিকে আমলে না নিয়ে তিনি একটি বড় ভুল করেছেন। তিনি এ ভুলের জন্য ক্ষমা চান।

পার্লামেন্টে বিদ্রোহ

ক্ষমা চাওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই ২ প্রভাবশালী মন্ত্রী ঋষি সুনক ও সাজিদ জাভিদ পদত্যাগ করেন। এরপর গণহারে বরিস জনসনের ক্যাবিনেটের সদস্যরা পদত্যাগ করতে শুরু করে। ২ দিনের ব্যবধানে মন্ত্রী, সচিব ও জুনিয়র মন্ত্রীসহ একে একে ৫০ জন ক্যাবিনেট সদস্য পদত্যাগ করেন।

তাদের সবার বক্তব্য ছিল একই রকম- 'বরিস নেতৃত্বের যোগ্য নন।'

সে সময় ক্ষমতাসীন দলের বেশ কয়েকজন আইনপ্রণেতা জানান, বরিস জনসনের সময় শেষ হয়ে এসেছে। তবে তিনি তার পদ ধরে রাখতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

নাম না প্রকাশ করার শর্তে দলের এক সদস্য রয়টার্সকে জানান, 'আমার সন্দেহ, তাকে আমাদের ঘাড় ধরে ডাউনিং স্ট্রিট থেকে বের করে দিতে হবে। এ সময় তিনি চিৎকার করতে থাকবেন এবং সবাইকে লাথি মারার চেষ্টা করবেন। কিন্তু আমাদেরকে যদি সেই পথে যেতে হয়, আমরা সেটাই করবো।'

এরপর বরিস নতুন অর্থমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেন সাবেক শিক্ষামন্ত্রী নাধিম জাহাউইকে। অন্যান্য কিছু শুন্যপদও তাৎক্ষনিকভাবে পূরণ করেন তিনি। তবে এতেও শেষ রক্ষা হয়নি বরিসের।

প্রথম দিন কিছু কনজারভেটিভ আইন প্রণেতা বরিস জনসনের পাশে দাঁড়ালেও, বুধবার তিনি 'গণবিদ্রোহের' মুখে দল থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েন এবং এক পর্যায়ে পদত্যাগের ঘোষণা দিতে বাধ্য হন।

পার্টিগেট কেলেঙ্কারি

মে মাসে এক তদন্তকারী কর্মকর্তার প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, করোনাভাইরাসের পুরোটা সময়জুড়ে বরিস জনসনের ডাউনিং স্ট্রিটের কার্যালয়ে সামাজিক দূরত্ব ও লকডাউন সংক্রান্ত আইন ভঙ্গ করেছেন তার কর্মীরা। এ বিষয়টি উন্মোচিত হলে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েন বরিস। এ ঘটনাকে গণমাধ্যমে 'পার্টিগেট' নাম দেওয়া হয়।

পার্টিগেট কেলেঙ্কারি, ডাউনিং স্ট্রিটে জন্মদিনের উৎসব করছেন বরিস। ছবি: এএফপি
পার্টিগেট কেলেঙ্কারি, ডাউনিং স্ট্রিটে জন্মদিনের উৎসব করছেন বরিস। ছবি: এএফপি

প্রতিবেদনে প্রকাশ পায়, ডাউনিং স্ট্রিটের কর্মীরা ২০২০ ও ২০২১ সালে অসংখ্যবার মদ্যপান করে হইহুল্লা ও আনন্দ উল্লাসে মেতেছেন। সে সময় কনজারভেটিভ দলেরই আরোপিত মহামারি সংক্রান্ত প্রতিবন্ধকতার কারণে যুক্তরাজ্যের বাসিন্দারা কোনো সামাজিক আচার পালন করতে পারেননি। এমনকি, মরণাপন্ন আত্মীয়দের সঙ্গে তাদেরকে দেখা করার অনুমতি দেওয়া হয়নি।

স্বভাবতই, এমন একটি সময়ে বরিস জনসন ও তার কর্মকর্তাদের এরকম আচরণের বিষয়টিকে ব্রিটিশ জনগণ ভালো ভাবে নেয়নি। 

আইনভঙ্গ করার জন্য প্রথম অবস্থায় ক্ষমতাসীন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ৫৮ বছর বয়সী বরিস জনসনকে জরিমানা করে পুলিশ। এ ঘটনার পর তাকে ঘিরে বাড়তে থাকা বিতর্কের ঝড় সামলাতে ব্যতিব্যস্ত থাকেন তিনি।

অনাস্থা ভোট

জুনের শুরুতে টোরি দলের পার্লামেন্ট সদস্য গ্রাহাম ব্র্যাডি বলেন, বরিস জনসনকে অনেক সংসদ সদস্য চিঠির মাধ্যমে ভোট আয়োজনের অনুরোধ জানিয়েছেন। দলটির মোট আইনপ্রণেতার ১৫ শতাংশ বা অন্তত ৫৪ জন নির্বাচিত এমপি এরকম অনুরোধ জানালে অনাস্থা ভোট আয়োজনের বাধ্যবাধকতা চলে আসে।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানায়, ৬ জুনের অনাস্থা ভোটে কনজারভেটিভ পার্টির ৩৫৯ এমপির মধ্যে ২১১ জনের ভোট পান বরিস জনসন। অর্থাৎ, দলের ১৪৮ এমপির সমর্থন হারান তিনি। এমন পরিস্থিতিই বরিসের ক্ষমতায় টিকে থাকা নিয়ে সংশয় দেখা দেয়।

সে সময় বরিসের কট্টর সমর্থক হিসেবে বিবেচিত এমপি স্টিভ বার্কার ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন, 'বরিস জনসন হয়তো আনুষ্ঠানিকভাবে জয়ী হবেন। কিন্তু, এতে বিষয়টির (নেতৃত্ব চালিয়ে যাওয়ার সক্ষমতা) নিষ্পত্তি হবে না।'

বন্ধুদের সঙ্গে বরিস জনসন। এ ছবি এখন কেবলই স্মৃতি। ছবি: বরিস জনসনের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ থেকে নেওয়া

টোরি এমপি জুলিয়ান স্টার্ডি গণমাধ্যমকে বলেন, 'ফলাফলে প্রমাণিত হয়েছে যে, ক্ষমতাসীন দলের পূর্ণ সমর্থন তার সঙ্গে আর নেই। তার নিজের ব্যক্তিগত অবস্থানকে পুনর্বিবেচনা করা উচিৎ।'

একই দলের স্যার রজার গেইল বলেন, 'ফল খুবই খারাপ হয়েছে। আমি খুবই অবাক হব যদি আসন্ন শরৎ পর্যন্ত তিনি এই পদে টিকে থাকতে পারেন।'

এর আগে বরিস জনসনের পূর্বসূরি টেরেসা মে'র বিরুদ্ধে অনাস্থা ভোট হয়। সেসময় তিনি জিতলেও ৬ মাস পর পদত্যাগে বাধ্য হন। তিনি নিজ দলের ৬৩ শতাংশ এমপির ভোট পেয়েছিলেন। সেই তুলনায় বরিস পান ৫৮ দশমিক ৭ শতাংশ ভোট।

অনাস্থা ভোট পরবর্তী বেশিরভাগ পূর্বাভাসই আজ সত্য। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বরিস জনসনের নাম ইউরোপের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট থেকে মুছে যাওয়ার বিষয়টি এখন কেবল আনুষ্ঠানিকতা মাত্র।

আরও কেলেঙ্কারি

উল্লিখিত ঘটনাগুলো ছাড়াও, সম্প্রতি বরিস জনসন এমন একজন সংসদ সদস্যের প্রতি সমর্থন জানান, যিনি তদবিরের আইন ভঙ্গ করেন।

বরিসের বিরুদ্ধে সমালোচনার আরেকটি উৎস হলো, তিনি নিত্যপণ্যের মূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখতে যথেষ্ট উদ্যোগ নেননি। যার ফলে যুক্তরাজ্যের বাসিন্দারা তেল ও খাবারের উচ্চ মূল্যের সঙ্গে লড়াই করতে বাধ্য হচ্ছেন।

ব্রেক্সিট—এক অম্লমধুর অভিজ্ঞতা

সাম্প্রতিক সময়ে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে নিরাপত্তা হুমকিতে পূর্ব ইউরোপের বেশ কিছু দেশ ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য হওয়ার জন্য উঠেপড়ে লেগেছে। নিরাপত্তা জোট ন্যাটোর সদস্যও হতে চেয়েছে কোনো কোনো দেশ। কিন্তু এর আগে, এক আজব এবং সাদা চোখে, অযৌক্তিক সিদ্ধান্তে প্রথম দেশ হিসেবে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ছেড়ে যায় ব্রিটেন। এ ঘটনাকে 'ব্রিটেনের বিদায়' (ব্রিটেন'স এক্সিট) বা ব্রেক্সিট হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়।

পূর্বসূরি টেরেসা মে ব্রেক্সিটের স্বপ্নদ্রষ্টা হলেও একে বাস্তবায়ন করেন বরিস জনসন। সময়মতো ব্রেক্সিট বাস্তবায়ন করতে না পারার কারণেই মূলত টেরেসাকে পদত্যাগ করতে হয়।

২০২০ সালের ৩১ জানুয়ারি, প্রায় সাড়ে ৩ বছরের দীর্ঘসূত্রতা ও টানাপোড়েনের পর বরিসের নেতৃত্বে যুক্তরাজ্য আনুষ্ঠানিকভাবে ইইউ থেকে বের হয়ে আসে।

২০১৬ সালে লন্ডনের মেয়র থাকাকালীন বরিস ব্রেক্সিটের পক্ষে অবস্থান নিয়ে জানান, এই জোট থেকে বের হয়ে আসলে যুক্তরাজ্যের অনেক সুবিধা হবে। তিনি ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্যপদকে 'অসম্ভব ব্যয়বহুল' ও দেশের গণতন্ত্র খর্বকারী হিসেবে অভিহিত করেন।

তবে ব্রেক্সিট বাস্তবায়ন হলেও যুক্তরাজ্যের বাসিন্দাদের জীবনযাত্রায় এখনো তেমন কোনো ইতিবাচক প্রভাব আসেনি।

করোনাভাইরাস নীতি, ইউক্রেন প্রসঙ্গ ও জনমত

করোনাভাইরাস নিয়ে বরিস জনসনের প্রাথমিক নীতি প্রবল ভাবে সমালোচিত হয়েছে। পরবর্তীতে তিনি পরিস্থিতি অনেকটা নিয়ন্ত্রণে আনতে নিতে পারলেও এ বিষয়টি তার জনপ্রিয়তার ওপর বড় হুমকি হিসেবে আসে।

উইক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কির সঙ্গে বরিস। ছবি: বরিস জনসনের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ থেকে নেওয়া
উইক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কির সঙ্গে বরিস। ছবি: বরিস জনসনের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ থেকে নেওয়া

ইউক্রেনের যুদ্ধের প্রথম থেকেই বরিস জনসন পুতিনের সমালোচনায় সবার থেকে এগিয়ে ছিলেন। ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ মার্চে বলেন, 'রাশিয়াবিরোধী হওয়ার দৌঁড়ে আমরা সবচেয়ে সক্রিয় অংশগ্রহণকারী হিসেবে বরিস জনসনকে দেখি।'

তবে এসব উদ্যোগ দেশের জনগণের মতের ওপর তেমন কোনো প্রভাব ফেলেনি। সাম্প্রতিক সকল জনমত জরিপে তার জনপ্রিয়তা তলানিতে ঠেকেছে।

পূর্বজীবন

ডেইলি টেলিগ্রাফের রিপোর্টার হিসেবে ১৯৮৪ থেকে ১৯৮৯ পর্যন্ত কাজ করেছেন বরিস। সে সময় তার চমকপ্রদ ও বিদ্রূপাত্মক লেখাগুলো বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছিল।

টেরেসা মের সরকারে ২ বছর পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে থাকা বরিস ছিলেন বিতর্কিত। অনেকে তার কর্মপন্থাকে 'অগণতান্ত্রিক' হিসেবে বর্ণনা করেন। ২০১৮ সালে এ পদ থেকে ইস্তফা দেন তিনি। ১ বছর পরেই টেরেসার পরিবর্তে প্রধানমন্ত্রী পদে নিয়োগ পান তিনি।

ভারত সফরে এরকম অনেক মজার মুহুর্তের জন্ম দিয়েছিলেন 'রসিক' বরিস জনসন। ছবি: রয়টার্স
ভারত সফরে এরকম অনেক মজার মুহুর্তের জন্ম দিয়েছিলেন 'রসিক' বরিস জনসন। ছবি: রয়টার্স

৬ সন্তানের পিতা, ৫৮ বছর বয়সী বরিস জনসনকে অনেকেই একজন বিতর্কিত নেতা হিসেবে বিবেচনা করেন। তবে অন্যদের দৃষ্টিতে তিনি একজন হাসিখুশি, রসিকতাবোধ সম্পন্ন নেতা, যিনি সব সময় বিশ্বাস করতেন 'সব কিছুই সম্ভব'। অনেক ক্ষেত্রেই তেমনটি করেও দেখিয়েছেন তিনি।

 

Comments

The Daily Star  | English

11 years on, cries for justice remain unheeded

Marking the 11th anniversary of the Rana Plaza collapse, Bangladesh's deadliest industrial disaster, survivors and relatives of the victims today gathered at the site in Savar demanding adequate compensation and maximum punishment for the culprits

1h ago