রমজানে গাজায় পৌঁছালো বাংলাদেশিদের ত্রাণ

আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ের জাকাত অ্যান্ড চ্যারিটি ফান্ড সূত্র থেকে জানা যায়, গত ৭ অক্টোবর গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি বাহিনীর হামলা শুরু হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত গাজায় ত্রাণের যত চালান গেছে, তার মধ্যে রমজানের এই চালানটি বৃহত্তম।
গাজায় পাঠানোর জন্য প্রস্তুত ত্রাণবাহী ট্রাক। ছবি: সংগৃহীত

পবিত্র রমজান মাসের তৃতীয় দিনে অসহায় গাজাবাসীদের সাহায্যার্থে 'হেল্প গাজা' প্রচারাভিযানের ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশসহ বিশ্বের ৮০টি দেশের প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে দুই হাজার টন খাদ্যসহ ১০০ ট্রাকের একটি বহর মিশরের রাফা সীমান্ত দিয়ে গাজা উপত্যকায় পাঠানো হয়েছে।‌

এই ত্রাণ সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে চাল, পাস্তা, মটরশুঁটি, চিনি, তেল, চা, খেজুর, পনির, শিশুদের জন্য দুধ ও জুস। এ ছাড়া রয়েছে শীত নিবারণের কম্বল এবং পরিচ্ছন্ন ও ব্যক্তিগত ব্যবহারিক সামগ্রী।

আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলাদেশি শিক্ষার্থী হোজাইফা খান জানান, গাজার মানুষের জন্য আল-আজহার কর্তৃপক্ষের অনুমতিক্রমে দ্য ওয়ার্ল্ড ওয়ান উম্মাহ ফাউন্ডেশনের দাতব্য তহবিলের মাধ্যমে রমজানের শুরুতেই বাংলাদেশি টাকায় মোট ৩৫ লাখ টাকার ত্রাণ পাঠানো হয়েছে।

এই অর্থ আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা হিউম্যান ফার্স্ট, আজহার ওয়েলফেয়ার সোসাইটি বাংলাদেশ ও হোয়াট পিগন ছাত্র সংগঠনগুলোর মাধ্যমে সংগ্রহ করেন।

এ ছাড়া, বাংলাদেশের একটি স্বনামধন্য বেভারেজ প্রতিষ্ঠান ৪৮ লাখ টাকার ত্রাণ গাজার মানুষের জন্য পাঠানোর উদ্যোগ নিয়েছে।

আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ের জাকাত অ্যান্ড চ্যারিটি ফান্ড সূত্র থেকে জানা যায়, গত ৭ অক্টোবর গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি বাহিনীর হামলা শুরু হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত গাজায় ত্রাণের যত চালান গেছে, তার মধ্যে রমজানের এই চালানটি বৃহত্তম। বাংলাদেশ ছাড়াও  আরও যে আটটি দেশের ত্রাণ এই চালানে যুক্ত হয়েছে সেগুলো হলো—ইন্দোনেশিয়া, ভারত, যুক্তরাজ্য, সৌদি আরব, ফ্রান্স, চীন, কানাডা ও জার্মানি।

Comments

The Daily Star  | English
Awami League's peace rally

Relatives in UZ Polls: AL chief’s directive for MPs largely unheeded

Ministers’ and Awami League lawmakers’ desire to tighten their grip on grassroots seems to be prevailing over the AL president’s directive to have their family members and relatives withdrawn from the upazila polls. 

46m ago