দক্ষিণ এশিয়া

ইরানের সঙ্গে উত্তেজনা, নিম্নমুখী পাকিস্তানের শেয়ারবাজার

এদিকে ইরানের সঙ্গে উত্তেজনা বাড়ায় পাকিস্তানের আন্তর্জাতিক বন্ডেও ধস নেমেছে বলে ডনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।
পাকিস্তান, ইরান, পাকিস্তান-ইরান উত্তেজনা, পাকিস্তান স্টক এক্সচেঞ্জ,
পাকিস্তানের করাচিতে পাকিস্তান স্টক এক্সচেঞ্জে একটি ট্রেডিং সেশন চলাকালে ইলেকট্রনিক বোর্ডে শেয়ারের মূল্য দেখছেন এক ব্যক্তি। ২৮ নভেম্বর, ২০২৩। ছবি: রয়টার্স

ইরান ও পাকিস্তানের মধ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার কারণে বৃহস্পতিবার পাকিস্তান স্টক এক্সচেঞ্জের (পিএসএক্স) শেয়ারের ৩৫০ পয়েন্টেরও বেশি পতন হয়েছে।

পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম ডনের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

পিএসএক্স ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, আজ সকাল ১০টা ৮ মিনিটে কেএসই-১০০ ইনডেক্স প্রায় ১ হাজার ৩৮ পয়েন্ট কমে যায়। সকাল ১০টা ৩১ মিনিটে সূচক উঠে দাঁড়ায় ৬২ হাজার ৭৯৭ দশমিক ২১ পয়েন্টে। বিকেল ৩টা ৩৪ মিনিট নাগাদ তা ৬৩ হাজার ২০২ দশমিক ৪০ পয়েন্ট হয়, যা গতকালের চেয়ে ৩৬৪ দশমিক ৯৩ পয়েন্ট কম। গতকাল সূচক শেষ হয়েছিল ৬৩ হাজার ৫৬৭ দশমিক ৩৩ পয়েন্টে।

টপলাইন সিকিউরিটিজের প্রধান নির্বাহী মোহাম্মদ সোহেল ডনকে বলেন, পাকিস্তান-ইরান উত্তেজনা বৃদ্ধির খবরে শেয়ারবাজার হঠাৎ নিম্নমুখী হয়ে পড়েছে।

ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, মঙ্গলবার বেলুচিস্তানের সীমান্তবর্তী শহর পাঞ্জগুরে জইশ আল-আদলের ঘাঁটি লক্ষ্য করে পাকিস্তানে হামলা চালায় ইরান।

এরপর আজ সকালে এক বিবৃতিতে পাকিস্তান জানিয়েছে, তারা ইরানের সিস্তান ও বেলুচিস্তান প্রদেশে দুর্বৃত্তদের গোপন আস্তানায় হামলা চালিয়েছে।

ইন্টারমার্কেট সিকিউরিটিজের হেড অব ইক্যুইটি রাজা জাফরি বলেন, 'ইরানের সঙ্গে সীমান্ত উত্তেজনা বিনিয়োগকারীদের মনোভাবে প্রভাব ফেলেছে বলে মনে হচ্ছে।'

চেজ সিকিউরিটিজের গবেষণা পরিচালক ইউসুফ এম ফারুক বলেন, 'ইরানের ওপর পাকিস্তানের পাল্টা হামলা এবং সম্ভাব্য উত্তেজনা বৃদ্ধির আশঙ্কায় শেয়ারবাজার নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে।'

এদিকে ইরানের সঙ্গে উত্তেজনা বাড়ায় পাকিস্তানের আন্তর্জাতিক বন্ডেও ধস নেমেছে বলে ডনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

ট্রেডওয়েবের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের বন্ড সবচেয়ে বড় পতনের মুখোমুখি হয়েছে, ডলারে ১ দশমিক ২ সেন্ট কমে ৭১ দশমিক ১২৫ সেন্টে লেনদেন হয়েছে।

Comments

The Daily Star  | English

Govt may go for quota reforms

The government is considering a logical reform in the existing quota system in public service, but it will not take any initiative to that effect or give any assurances until the matter is resolved by the Supreme Court, where the issue is now pending.

1d ago