দুর্ঘটনা ও অগ্নিকাণ্ড

আখাউড়ায় ১ লাইনে ২ ট্রেন, দেড় ঘণ্টা বন্ধের পর রেল যোগাযোগ শুরু

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া রেল জংশনে একই লাইনে ২ ট্রেন উঠে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এতে আজ শুক্রবার বিকেল ২টা ৫০ মিনিটের দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম ও চট্টগ্রাম-সিলেট রেলপথে ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
বিকেল ৪টা ২০ মিনিটের দিকে ট্রেন যোগাযোগ স্বাভাবিক হয়। ছবি: সংগৃহীত

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া রেল জংশনে একই লাইনে ২ ট্রেন উঠে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এতে আজ শুক্রবার বিকেল ২টা ৫০ মিনিটের দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম ও চট্টগ্রাম-সিলেট রেলপথে ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

দেড় ঘণ্টা পর বিকেল ৪টা ২০ মিনিটের দিকে একটি ট্রেনকে ওই লাইন থেকে সরানো হলে আবারও ট্রেন চলাচল চালু হয়।

আখাউড়া রেল জংশন স্টেশনের কেবিন মাস্টার খায়রুল ইসলাম দ্য ডেইলি স্টারকে এসব তথ্য জানিয়েছেন।

আখাউড়া রেলস্টেশন ও ট্রেন ২টি সংশ্লিষ্টরা জানান, বিকেল ৩টার দিকে আখাউড়া রেলওয়ে জংশন স্টেশনের ১ নম্বর প্লাটফর্মে ঢাকা থেকে ছেড়ে যাওয়া চট্টগ্রামগামী কর্ণফুলী এক্সপ্রেস ট্রেন দাঁড়িয়ে ছিল। এ সময় একই লাইনের পেছন দিক দিয়ে ট্রেনটির প্রায় ১০০ গজ কাছে চলে আসে ঢাকা থেকে ছেড়ে যাওয়া চট্টগ্রামগামী ৬০৪ নম্বর কন্টেইনার ট্রেন। তবে কোনো দুর্ঘটনা ঘটার আগেই কন্টেইনার ট্রেনটি থামাতে সক্ষম হন চালক।

এ সময় আখাউড়া রেলওয়ে জংশন স্টেশনে চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে আসা সিলেটগামী পাহাড়িকা এক্সপ্রেস এবং আজমপুর রেলওয়ে স্টেশনে সিলেট থেকে ছেড়ে আসা চট্টগ্রামগামী পাহাড়িকা এক্সপ্রেস ট্রেন আটকা পড়ে।

পরে কন্টেইনার ট্রেনটিকে পিছিয়ে নেওয়া হলে বিকেল ৪টা ২০ মিনিটের দিকে ট্রেন যোগাযোগ স্বাভাবিক হয়।

কন্টেইনার ট্রেনের চালক ও গার্ড বলছেন, তারা সিগন্যাল পেয়েই ওই লাইনে ঢুকেছিলেন। তবে আখাউড়া রেলওয়ে জংশন স্টেশনের কেবিন মাস্টার খায়রুল ইসলাম বলছেন, ট্রেনটি সিগন্যাল অমান্য করায় এ ঘটনা ঘটেছে। 

কন্টেইনার ট্রেনটির সহকারী লোকো মাস্টার (এএলএম) আবু তালহা বলেন, 'সিগন্যাল পেয়েই আখাউড়া স্টেশনে প্রবেশ করছিল কন্টেইনার ট্রেনটি। এ সময় সামনে আরেকটি ট্রেন দেখে ব্রেক কষে থামিয়ে দিই।'

ট্রেনটির পরিচালক (গার্ড) শফিকুল ইসলাম বলেন, আরেকটি ট্রেন দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে জরুরি ব্রেক কষে তারা ট্রেনটি থামান।  

তবে আখাউড়া রেলওয়ে জংশন স্টেশনের কেবিন মাস্টার খায়রুল ইসলাম বলেন, 'কন্টেইনারের চালক সিগন্যাল অতিক্রম করেছিলেন। কেন সেটা তিনি করলেন তা আমরা এখনও জানি না।'

এ বিষয়ে চাইলে আখাউড়া রেলওয়ে জংশন স্টেশন মাস্টার কামরুল হাসান তালুকদার বলেন, 'রেলওয়ের পক্ষ থেকে বিষয়টি তদন্ত করা হবে। তদন্তের পর এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।'

Comments