রাজবাড়ীর বিএনপি নেত্রীর জামিন আবেদন আবারও নাকচ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে ফেসবুকে আপত্তিকর পোস্ট দেওয়ার অভিযোগে গ্রেপ্তার রাজবাড়ী মহিলা দলের নেত্রী সোনিয়া আক্তার ওরফে স্মৃতির জামিন আবারও না মঞ্জুর করেছেন আদালত।
সোনিয়া আক্তার স্মৃতি। ছবি: ফেসবুক থেকে নেওয়া

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে ফেসবুকে আপত্তিকর পোস্ট দেওয়ার অভিযোগে গ্রেপ্তার রাজবাড়ী মহিলা দলের নেত্রী সোনিয়া আক্তার ওরফে স্মৃতির জামিন আবারও না মঞ্জুর করেছেন আদালত। 

আজ বুধবার দুপুরে রাজবাড়ীর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক রুহুল আমীন এই আদেশ দেন।

সোনিয়া আক্তারের আইনজীবী ও জেলা বিএনপির আহ্বায়ক লিয়াকত আলি দ্য ডেইলি স্টারকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।  

তিনি বলেন, 'সোনিয়া আক্তারের জামিনের আবেদন করলে দুপুরে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক রুহুল আমীন জামিন আবেদন না মঞ্জুর করেন।'

গত ৪ অক্টোবর রাতে সোনিয়াকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরদিন বুধবার বিকেলে সোনিয়াকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত।

গত ১০ অক্টোবর রাজবাড়ীর এক নম্বর আমলী আদালতে জামিনের আবেদন করেন সোনিয়া আক্তার। বিচারক কায়ছুন নাহার সুরমা তার জামিনের আবেদন না মঞ্জুর করেন। এছাড়া গ্রেপ্তারের দিনও জামিনের আবেদন করা হয়েছিল।

রাজবাড়ী সদর থানা ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ১ মাস আগে দেওয়া একটি স্ট্যাটাসের বিষয়ে গত ৩ অক্টোবর সোমবার সন্ধ্যায় রাজবাড়ী সদর উপজেলার মিজানপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক সামসুল আরেফিন চৌধুরী রাজবাড়ী সদর থানায় লিখিত অভিযোগ দেন। 

পরে অভিযোগটি মামলা হিসেবে রেকর্ড করা হয়।

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, গত ৩১ আগস্ট সোনিয়া আক্তার তার নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে একটি স্ট্যাটাস দেন। সেখানে তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একটি বক্তব্যের সমালোচনা করে 'আপত্তিকর' কথা লেখেন। অনেকে পোস্টটি দেখায় প্রধানমন্ত্রীর সুনাম ক্ষুণ্ন ও মানহানি হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

গ্রেপ্তার সোনিয়া আক্তার স্বেচ্ছায় রক্তদাতাদের সংগঠন রাজবাড়ী ব্লাড ডোনার্স ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও জেলা মহিলা দলের সদস্য। সোনিয়া রাজবাড়ী শহরের ৩ নম্বর বেড়াডাঙ্গা এলাকায় বসবাস করেন। 

Comments

The Daily Star  | English

Old, unfit vehicles running amok

The bus involved in yesterday’s accident that left 14 dead in Faridpur would not have been on the road had the government not caved in to transport associations’ demand for allowing over 20 years old buses on roads.

3h ago