অপরাধ ও বিচার

নাটোরে আসামির পরিবর্তে হাজিরা দিতে যাওয়ায় ২ জনের কারাদণ্ড

নাটোরের একটি আদালতে ভুয়া হাজিরা দিতে গিয়ে জাবেদ আলী (৬০) ও মুজাহিদ (১৯) নামে ২ জন গ্রেপ্তার হয়েছেন। 
মানচিত্রে নাটোর
মানচিত্রে নাটোর। স্টার ফাইল ফটো

নাটোরের একটি আদালতে ভুয়া হাজিরা দিতে গিয়ে গ্রেপ্তার মো. জাবেদ আলী (৬০) ও মো. মুজাহিদ (১৯) নামে ২ জনকে গ্রেপ্তার করে ১ মাসের কারাদণ্ড ও ৫ হাজার টাকা জরিমানার আদেশ দিয়েছেন আদালত।

মারামারির একটি মামলায় ছেলে তাইজুলের পরিবর্তে বাবা জাবেদ আলী ও মোজাহিদের পরিবর্তে জাকারিয়া আদালতে হাজিরা দিতে গেলে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। 

গতকাল সোমবার নাটোরের সংক্ষিপ্ত বিচার আদালতের প্রথম শ্রেণির জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ও জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের আদালত-৪-এর বিচারক মো. আবু সাঈদ এই আদেশ দেন।

ভুয়া হাজিরা দিতে যাওয়া জাবেদ আলী বড়াইগ্রাম উপজেলার গারফা মৎস্যজীবীপাড়া গ্রামের বদরুদ্দীনের ছেলে এবং একই গ্রামের মো. মোজাম্মেলের ছেলে মো. মোজাহিদ।

বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে সংশ্লিষ্ট আদালতের স্টেনোগ্রাফার মো. শহিদুজ্জামান দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, 'বড়াইগ্রামের নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতার ওই মামলায় ২৭ জন আসামির হাজিরার দিন ধার্য ছিল।'

আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদের সময় আদালত জানতে পারে জাবেদ আলী তার ছেলে তাইজুলের পরিবর্তে হাজিরা দিতে এসেছেন এবং মুজাহিদ তার বড় ভাই জাকারিয়ার পরিবর্তে হাজিরা দিতে এসেছেন।

এ সময় গ্রেপ্তার জাবেদ এবং মোজাহিদ আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। 

সংক্ষিপ্ত বিচার আদালতে পেনাল কোডের ৪১৭ ধারায় অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় মো. মুজাহিদ ও মো. জাবেদ আলীকে ১ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ৫ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ১৫ দিনের কারাদণ্ডের আদেশ দেয় আদালত।

পাশাপাশি আসামি পক্ষের আইনজীবী আখতার হোসেনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বার কাউন্সিলে কেন আদেশের কপি পাঠানো হবে না তার কারণ দর্শানোর জন্য আদেশ দেওয়া হয়।

নাটোর জেলা পুলিশের আদালত পরিদর্শক মো. রফিকুল ইসলাম দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, 'ভুয়া হাজিরা দিতে আসা জাবেদ আলী এবং মো. মুজাহিদকে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।'

 
 

Comments

The Daily Star  | English

To Europe Via Libya: A voyage fraught with peril

An undocumented Bangladeshi migrant worker choosing to enter Europe from Libya, will almost certainly be held captive by armed militias, tortured, and their families extorted for lakhs of taka.

6h ago