ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে বাড়ি-জমি দখলচেষ্টা ও হামলার অভিযোগ

সাভারের কাউন্দিয়া ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যানের নির্দেশে একটি বাড়ি দখলের চেষ্টা ও হামলার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী আব্দুল বাতেন থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন। 
সাভার
ছবি: স্টার ডিজিটাল গ্রাফিক্স

সাভারের কাউন্দিয়া ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যানের নির্দেশে একটি বাড়ি দখলের চেষ্টা ও হামলার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী আব্দুল বাতেন থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন। 

সাভার মডেল থানার উপপরিদর্শক ও কাউন্দিয়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই সুব্রত দাশ রোববার দ্য ডেইলি স্টারকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

অভিযোগে বলা হয়, ভুক্তভোগী আব্দুল বাতেন সাভারের কাউন্দিয়ার পশ্চিম পাড়া এলাকায় পরিবার নিয়ে বসবাস করেন। গত ৯ই নভেম্বর কাউন্দিয়ার ইউপি চেয়ারম্যান সাইফুল আলম খানের নির্দেশে স্থানীয় প্রভাবশালী মো. হেলাল, মো. ইসমাইল, মো. আফাজ উদ্দিন, নাদিম ও মো. জাহাঙ্গীর তার বাড়ি দখল নিতে জোরপূর্বক সাদা কাগজে সই নেয়। 

পরে ২৩ নভেম্বর চেয়ারম্যানের নির্দেশে বাতেনের বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর চালানো হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

এসআই সুব্রত দাশ বলেন, 'গত শুক্রবার সাভার মডেল থানায় একটি অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী। তদন্ত করে জানাতে পারব প্রকৃত ঘটনাটি কী।' 

এদিকে চেয়ারম্যান সাইফুল আলম খানের বিরুদ্ধে আরেকটি জমি দখলের অভিযোগ আছে।

অভিযোগকারী শামীম দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, 'কাউন্দিয়ার চটবাড়ি এলাকায় আমার ২৩ শতাংশ জমিতে সাইফুল চেয়ারম্যান নিজের নামে সাইনবোর্ড বসিয়েছেন। সেখানে জমির কোনো দাগ নম্বর ও পরিমাণ উল্লেখ করা হয়নি। সেখানে সাইফুল আলমের নামে কোনো সম্পত্তি নেই। চেয়ারম্যান আমাকে দীর্ঘদিন ধরেই হয়রানি করছেন।'

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে ইউপি চেয়ারম্যান সাইফুল আলম খান দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, 'বাতেনের বাড়িটি নিয়ে তাদের প্রতিবেশীদের মধ্যে ঝামেলা আছে। এখানে আমার কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই। শুনেছি বাতেনরা সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করছিল, তখন প্রতিবেশী ইসমাইলরা ভাঙচুর করেছে। যেহেতু আমাকে জড়িয়ে অভিযোগ করেছে। পুলিশ তদন্ত করুক।'

অপর অভিযোগের বিষয়ে তিনি বলেন, 'শামীম নিজেই ভূমি দস্যু। তিনি মানুষের জমিতে জোরপূর্বক বালু ফেলেন। তারা বিরুদ্ধে অনেক অভিযোগ আছে। আমার জমিতে আমি সাইনবোর্ড দিয়েছি।'
 

Comments

The Daily Star  | English

Lifts at public hospitals: Where Horror Abounds

Shipon Mia (not his real name) fears for his life throughout the hours he works as a liftman at a building of Sir Salimullah Medical College, commonly known as Mitford hospital, in the capital.

4h ago