গরুসহ আটক ২ জনকে ছিনতাই: ২৬ চোরাকারবারির নামে মামলা

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলায় পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে গরুসহ ২ জনকে ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় ২৬ চোরাকারবারির নামে মামলা করেছে পুলিশ।

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলায় পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে গরুসহ ২ জনকে ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় ২৬ চোরাকারবারির নামে মামলা করেছে পুলিশ।

আজ শুক্রবার নাইক্ষ্যংছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) টান্টু সাহা বিষয়টি দ্য ডেইলি স্টারকে নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, 'গত বুধবার সকালে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার সদর ইউনিয়নের কম্পোনিয়া ও জারুলিয়াছড়ি এলাকায় অবৈধভাবে মিয়ানমার থেকে পাচার করে আনা ৬টি গরু ও একটি মহিষসহ মো. মনছুর মিয়া ও নুর মোহাম্মদ নামে ২ চোরাকারবারিকে আটক করা হয়। তাদের থানায় নিয়ে যাওয়ার পথে গহীন জঙ্গলে অবস্থানরত চোরাকারবারি দলের গডফাদার জহির উদ্দিনের নেতৃত্বে ৩০-৩৫ জন চোরাকারবারি পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে আসামিসহ গরু ছিনিয়ে নিয়ে যায়। পরে পুলিশ পাল্টা ধাওয়া করলে গরু ও মহিষ ফেলে পালিয়ে যায় চোরাকারবারিরা।'

চোরাকারবারি দলের গডফাদার জহির উদ্দিন কক্সবাজারের রামু উপজেলার মৌলবি কাটার গ্রামের মৃত পিয়ার মোহাম্মদের ছেলে বলে জানান ওসি।

তিনি বলেন, 'পুলিশের ওপর হামলা করে ২ চোরাকারবারি এবং জব্দকৃত গরু ও মহিষ ছিনিয়ে নেওয়ার সময় পুলিশ আত্মরক্ষার জন্য ৬ রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছুড়ে। এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে চিহ্নিত ২৬ ও অজ্ঞাতনামা ৩০-৩৫ জনের বিরুদ্ধে দুটি মামলা দায়ের করে। তবে হামলাকারীরা পালিয়ে থাকায় এখনো কাউক গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।'

ওসি আরও বলেন, 'অপরাধী ও সব চোরাকারবারির তথ্য সংগ্রহসহ অভিযান চালিয়ে যাচ্ছি। শিগগির আমরা অপরাধীদের গ্রেপ্তার করতে পারব।'

এ বিষয়ে বান্দরবানের পুলিশ সুপার (এসপি) মো. তারিকুল ইসলাম ডেইলি স্টারকে বলেন, 'পুলিশের ওপর হামলা ও আলামত ছিনতাইয়ের ঘটনায় চিহ্নিত ২৬ ও অজ্ঞাতনামা ৩০-৩৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলমান আছে।'

 

Comments