বরিশাল সিটি নির্বাচন

‘ভোটকেন্দ্রে না যেতে হুমকি দেওয়া হচ্ছে’

বরিশাল সিটিতে সুষ্ঠু নির্বাচনের ব্যাপারে উদ্বেগ প্রকাশ করে জাতীয় পার্টির মেয়র প্রার্থী ইকবাল হোসেন তাপস বলেছেন, তারা প্রতিনিয়ত হুমকির সম্মুখীন হচ্ছেন।
বরিশাল সিটি নির্বাচনে প্রচারণা চালাচ্ছেন জাতীয় পার্টির মেয়র প্রার্থী ইকবাল হোসেন তাপস। ছবি: টিটু দাস/স্টার

বরিশাল সিটিতে সুষ্ঠু নির্বাচনের ব্যাপারে উদ্বেগ প্রকাশ করে জাতীয় পার্টির মেয়র প্রার্থী ইকবাল হোসেন তাপস বলেছেন, তারা প্রতিনিয়ত হুমকির সম্মুখীন হচ্ছেন।

প্রচারণার সময় তিনি আজ সাংবাদিকদের বলেন, 'আমাদেরকে প্রতিনিয়ত হুমকি দেওয়া হচ্ছে। গত রাতে কিছু লোক আমাদের ওয়ার্ড সেক্রেটারির বাসায় গিয়ে হুমকি দেয়। ভোটকেন্দ্রে না যাওয়ার জন্য তারা সতর্ক করে দেয়।'

অভিযোগ করে তিনি বলেন, 'গত রাতে পলাশপুর কলোনিতে আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা প্রতিটি ভোটারকে ২ হাজার টাকা করে খামে বিতরণ করেছেন বলে আমরা তথ্য পেয়েছি। তাছাড়া আমরা আওয়ামী লীগের প্রার্থীর পক্ষে গোয়েন্দা সংস্থার সম্পৃক্ততা লক্ষ্য করেছি।'

তাপস আরও বলেন, আওয়ামী লীগের প্রার্থী সুষ্ঠু নির্বাচন চান না।

তিনি নির্বাচন কমিশনারকে এসব বিষয় সমাধান করে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার জন্য সচেষ্ট হওয়ার অনুরোধ জানিয়ে বলেন, অন্যথায় আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনও প্রশ্নবিদ্ধ হবে।

জয়ের ব্যাপারে আশা প্রকাশ করে তিনি বলেন, জনগণ সব বাধা অতিক্রম করে নির্ভয়ে ভোটকেন্দ্রে যাবে এবং তাকে বিজয়ী করবে।

অন্যদিকে, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করিম বলেছেন, নির্বাচনে ১২৬টি 'ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র' রয়েছে এবং আওয়ামী লীগ প্রতিটি কেন্দ্র দখল করতে চায়।

প্রচারণা চালানোর সময় সাংবাদিকদের তিনি বলেন, 'দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে হাজার হাজার আওয়ামী লীগ সমর্থক শহরে এসেছে। কলেজ ক্যাম্পাস ও হোটেলে কোনো রুম খালি নেই।'

কোনো প্রার্থীর বিরুদ্ধে সরাসরি অভিযোগ না করলেও সমাজের অবহেলিত ও দরিদ্র মানুষের সঙ্গে ধর্মের নামে প্রতারণা করা সবচেয়ে সহজ ব্যাপার এবং সেই পথটাই কেউ কেউ অবলম্বন করছে বলে অভিযোগ করেছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী আবুল খায়ের আব্দুল্লাহ খোকন সেরনিয়াবাত। রাজধানীর কালু শাহ সড়কের নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ অভিযোগ তোলেন তিনি।

বরিশাল জেলা প্রশাসক মো. জাহাঙ্গীর হোসেন দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের বিষয়ে তাদের কাছে বেশ কিছু অভিযোগ রয়েছে।

আচরণবিধি লঙ্ঘন বন্ধে ইতোমধ্যে মাঠ পর্যায়ে ১০ জন ম্যাজিস্ট্রেটকে পাঠানো হয়েছে বলে জানান তিনি।

Comments