গাজীপুরে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে পোশাকশ্রমিক নিহত

বুধবার সকালে সাড়ে ৮টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

পোশাক শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি সাড়ে ২৩ হাজার টাকা করার দাবিতে গাজীপুরের কোনাবাড়ী এলাকায় বিক্ষোভরত শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষে এক নারী শ্রমিক মারা গেছেন।

আজ বুধবার সকালে সাড়ে ৮টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। গুরুতর আহত অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালে নিয়ে আসা হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক বাচ্চু মিয়া দ্য ডেইলি স্টারকে জানান, নিহত শ্রমিকের নাম আঞ্জুয়ারা খাতুন (২৪)।

কোনাবাড়ীর ইসলাম গার্মেন্টসে সেলাই মেশিন অপারেটর হিসেবে কাজ করতেন তিনি।

আঞ্জুয়ারা সিরাজগঞ্জ জেলার কাজিপাড়া চরগিরিশ এলাকার মো. মন্টু মিয়ার মেয়ে।

আঞ্জুয়ারার ভাই মোস্তফা দ্য ডেইলি স্টারকে জানান, সকাল ৮টার দিকে আমার বোন বেতন বাড়ানোর দাবিতে আন্দোলনে অংশগ্রহণ করে। আন্দোলনের সময় পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়। সাথে সাথে কোনাবাড়ীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় তাকে। পরে গাজীপুরের একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়। গাজীপুর হাসপাতাল থেকে ঢাকায় পাঠানোর জন্য রেফার্ড করে। ঢাকায় নিয়ে যাওয়ার পথে মারা যায় সে।

তিনি বলেন, আমি লাশের জন্য অপেক্ষা করছি।

জানতে চাইলে কোনাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম আশরাফ উদ্দিন দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, একজন শ্রমিককে ঢাকার একটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে বলে জানেন। তবে তিনি মারা গেছেন কিনা এ বিষয়ে তিনি জানেন না।

গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মাহবুব আলম দ্য ডেইলি স্টারকে জানান, 'সংঘর্ষের ঘটনায় আহত দুজনকে ঢাকা মেডিকেলে পাঠানো হয়েছে। কেউ মারা গিয়েছে কিনা আমার জানা নেই।'

তিনি বলেন, আন্দোলনের একপর্যায়ে শ্রমিকরা অন্যান্য গার্মেন্টস ভাঙচুর করা এবং অন্যান্য শ্রমিকদের নামানোর চেষ্টা করলে পুলিশ বাধা দেওয়ার চেষ্টা করে। তখন তারা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট পাটকেল নিক্ষেপ শুরু করে। পরে পুলিশ বাধ্য হয়ে তাদেরকে ছত্রভঙ্গ করার জন্য টিয়ার শেল এবং রাবার বুলেট ছোড়ে। অনেক শ্রমিক দৌড়ে পালাতে গিয়ে পড়ে গিয়েও আহত হয়েছে, বলেন তিনি।

 

Comments

The Daily Star  | English

Create right conditions for Rohingya repatriation: G7

Foreign ministers from the Group of Seven (G7) countries have stressed the need to create conditions for the voluntary, safe, dignified, and sustainable return of all Rohingya refugees and displaced persons to Myanmar

6h ago