‘অবৈধ’ সরকার দমনমূলক কর্মকাণ্ড চালিয়ে গণতন্ত্রকে ধ্বংস করেছে: ফখরুল

‘সরকার দেশে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন করতে দিচ্ছে না বলে আমরা আন্দোলন করতে বাধ্য হচ্ছি।’
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। স্টার ফাইল ছবি

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সোমবার বলেছেন, সরকার নির্বাচনকে ফ্যাসিবাদ প্রতিষ্ঠার অস্ত্র হিসেবে নিয়েছে।

তিনি বলেন, 'তাদের একমাত্র লক্ষ্য গণতন্ত্র ও বিরোধী দলগুলোকে ধ্বংস করে একদলীয় ফ্যাসিবাদ প্রতিষ্ঠা করা। তারা অতীতে এটি করার চেষ্টা করেছিল, কিন্তু সেই সময়ে রাজনৈতিক পরিবর্তনের কারণে সফল হতে পারেনি… নির্বাচনকে অস্ত্র হিসেবে নিয়ে এবার তারা ভিন্ন স্টাইলে এই লক্ষ্য অর্জন করছে।'

আজ শনিবার নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন ও রফিকুল ইসলাম মিয়ার দ্রুত আরোগ্য কামনা করে আয়োজিত মিলাদ মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মির্জা ফখরুল এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, 'সরকার দেশে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন করতে দিচ্ছে না বলে আমরা আন্দোলন করতে বাধ্য হচ্ছি। আমরা নির্বাচনের মাধ্যমে পরিবর্তন চাই। কিন্তু আপনারা (সরকার) নিজের স্টাইলে নির্বাচন করছেন এবং ফলাফল আপনাদের পক্ষে নিচ্ছেন।'

বিএনপি নেতা বলেন যে, তারা এখনো রাজনৈতিক সংকটের শান্তিপূর্ণ সমাধান চান এবং আশা করেন, নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে আগামী নির্বাচন আয়োজনের জনগণের দাবি মেনে নিয়ে দেশকে বাঁচাতে সরকারের শুভ বুদ্ধির উদয় হোক। তারা মনে করেন এবং দেশের জনগণ বিশ্বাস করে যে নির্বাচনের মাধ্যমে এই সংকটের সমাধান হবে।

তিনি আরও বলেন যে, তাদের দল ও জোটের শরিকরা তাদের বর্তমান সরকারবিরোধী আন্দোলনের চূড়ান্ত কর্মসূচি ঘোষণা করতে যাচ্ছে। যুগপৎ আন্দোলনের সঙ্গে সম্পৃক্ত সব দল আগামী ১২ জুলাই (বুধবার) নিজ নিজ অবস্থান থেকে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার এবং সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য নতুন যাত্রা ঘোষণা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তারা।

ফখরুল অভিযোগ করে বলেন যে, বর্তমান 'অবৈধ' সরকার অত্যন্ত সচেতনভাবে দমনমূলক কর্মকাণ্ড চালিয়ে গণতন্ত্রকে ধ্বংস করেছে।

তিনি বলেন, 'মোশাররফ, রফিকুল ইসলাম মিয়া, ব্যারিস্টার জমিরউদ্দিন সরকার, নজরুল ইসলাম খান, রুহুল কবির রিজভীসহ দলের অনেক জ্যেষ্ঠ নেতা এখন অসুস্থ। কিন্তু আমরা কাজ করছি, আন্দোলন করছি এবং মানুষের কাছে পৌঁছাচ্ছি। আমাদের লক্ষ্য এই অসুস্থ অবস্থাকে নিরাময় করা এবং জাতিকে অসুস্থতা থেকে মুক্ত করা।'

Comments

The Daily Star  | English
Impact of esports on Bangladeshi society

From fringe hobby to national pride

For years, gaming in Bangladesh was seen as a waste of time -- often dismissed as a frivolous activity or a distraction from more “serious” pursuits. Traditional societal norms placed little value on gaming, perceiving it as an endeavour devoid of any real-world benefits.

16h ago