শিশু মৃত্যুর গুজব: চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালের স্যালাইন পরীক্ষা করবে ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর

ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা আজ হাসপাতালটি পরিদর্শনে যান। তবে সেখানে কোনো শিশুর মৃত্যুর তথ্য তারা পাননি বলে বিষয়টিকে গুজব হিসেবেই মনে করা হচ্ছে।
স্টার ডিজিটাল গ্রাফিক্স

চট্টগ্রামে মা ও শিশু হাসপাতালে শিরার মাধ্যমে দেওয়া স্যালাইন থেকে জীবাণুর সংক্রমণে দুই শিশুর মৃত্যুর গুজব ছড়িয়ে পড়ার পর ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা হাসপাতালটি পরিদর্শন করেছেন। হাসপাতালের ফার্মেসি থেকে স্যালাইনের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য তা ঢাকায় ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের ল্যাবরেটরিতে পাঠানো হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা হাসপাতালটি পরিদর্শনে যান। তবে সেখানে কোনো শিশুর মৃত্যুর তথ্য তারা পাননি বলে বিষয়টিকে গুজব হিসেবেই মনে করা হচ্ছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষও শিশুর মৃত্যুর কথা অস্বীকার করেছে।

জানতে চাইলে চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন ডা. ইলিয়াস চৌধুরী দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, 'শিরার মাধ্যমে দেওয়া স্যালাইনে সংক্রমণের কারণে চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালে সম্প্রতি একজন অন্তঃসত্ত্বা নারী ও দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে বলে একটি কথা নগরীতে ছড়িয়েছে। তবে এ ব্যাপারে কেউ লিখিত অভিযোগ করেননি। এরপরও লোকমুখে অভিযোগের কথা ছড়ানোয় ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের বিষয়টি খতিয়ে দেখতে অনুরোধ করেছিলাম।'

জানতে চাইলে, ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর চট্টগ্রামের সহকারী পরিচালক এস এম সুলতানুল আরেফিন বলেন, এইরকম একটি কথা শুনে আমি হাসপাতালের পরিচালকের কাছে বিষয়টি জানতে চেয়েছিলাম। কিন্তু তিনি বিষয়টি পুরোপুরি অস্বীকার করেন।

তিনি বলেন, 'এরপরও আমি হাসপাতালের ফার্মেসি থেকে দুইটি কোম্পানির স্যালাইনের নমুনা সংগ্রহ করে ল্যাবে পরীক্ষার জন্য ঢাকায় পাঠিয়েছি। দুই একদিনের মধ্যে পরীক্ষার রিপোর্ট পাওয়া যাবে। তখন এই ব্যাপারে নিশ্চিত হওয়া যাবে।'

জানতে চাইলে মা ও শিশু হাসপাতালের শিশু স্বাস্থ্য বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ফাহিম হাসান রেজা বলেন, স্যালাইন জীবাণুর সংক্রমণের কারণে হাসপাতালে কোনো শিশুর মৃত্যু হয়েছে বলে জানা নেই।

Comments

The Daily Star  | English
Awami League's peace rally

Relatives in UZ Polls: AL chief’s directive for MPs largely unheeded

Ministers’ and Awami League lawmakers’ desire to tighten their grip on grassroots seems to be prevailing over the AL president’s directive to have their family members and relatives withdrawn from the upazila polls. 

55m ago