ডোনাল্ড ট্রাম্প ফৌজদারি মামলায় অভিযুক্ত

মামলার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ঘনিষ্ঠ সূত্রের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়, ম্যানহাটনের গ্র্যান্ড জুরি সাবেক প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে ব্যবসায়িক জালিয়াতির সঙ্গে সম্পর্কিত মামলায় অভিযুক্ত করেছেন।
ডোনাল্ড ট্রাম্প
ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: রয়টার্স

সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ফৌজদারি মামলায় অভিযুক্ত হয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে তিনি প্রথম সাবেক প্রেসিডেন্ট যিনি ফৌজদারি মামলায় অভিযুক্ত হলেন।

আজ শুক্রবার মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন এ তথ্য জানিয়েছে।

মামলার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ঘনিষ্ঠ সূত্রের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়, ম্যানহাটনের গ্র্যান্ড জুরি সাবেক প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে ব্যবসায়িক জালিয়াতির সঙ্গে সম্পর্কিত মামলায় অভিযুক্ত করেছেন।

গতকাল বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানায়, পর্ন স্টার স্টর্মি ড্যানিয়েলের মুখ বন্ধ রাখতে ডোনাল্ড ট্রাম্প অর্থ দিয়েছিলেন তা প্রমাণিত হওয়ায় ম্যানহাটনের গ্র্যান্ড জুরি সাবেক প্রেসিডেন্টকে অভিযুক্ত করেছেন।

তবে আদালত সুনির্দিষ্ট অভিযোগগুলো প্রকাশ করেননি বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ কার হয়।

ট্রাম্প বলেছেন, তিনি 'সম্পূর্ণ নির্দোষ'। অভিযুক্ত করার ঘটনা তাকে আগামী বছর প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রার্থিতা থেকে সরিয়ে দিতে পারবে না।

এ মামলার জন্য ডেমোক্রেট পার্টির নিউইয়র্ক কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নি অ্যালভিন ব্র্যাগকে দোষারোপ করে তিনি আরও বলেন, 'ডেমোক্রেট ব্র্যাগ আগামী নির্বাচনের আমার বিজয়ের সম্ভাবনাকে রোধের চেষ্টা করছেন।'

এক বার্তায় ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, 'এটি ইতিহাসে সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক নির্যাতন ও নির্বাচনে হস্তক্ষেপ।'

এরপর তিনি আইনি লড়াইয়ের অর্থ জোগাড়ের জন্য সমর্থকদের অনুরোধ করেছেন। তার সমর্থকদের সূত্র দিয়ে রয়টার্স জানায়—গত ১৮ মার্চ তার গ্রেপ্তারের আশঙ্কার কথা জানানো পর সমর্থকরা ২ মিলিয়ন ডলার তুলেছেন।

এমন পরিস্থিতিতে রিপাবলিকান দলের অনেক ট্রাম্পবিরোধী নেতা তাকে সমর্থন দিয়েছেন। এই তালিকায় আছেন ফ্লোরিডা গভর্নর রন ডিস্যান্টিস ও সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্স আছেন।

মাইক পেন্স বলেন, 'এটি আমাদের দেশকে বিভক্ত করতে আরও বেশি ভূমিকা রাখবে।'

হোয়াইট হাউস থেকে এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করা হয়নি।

ডেমোক্রেট নেতারা বলেছেন, ট্রাম্প আইনের ঊর্ধ্বে নন।

Comments

The Daily Star  | English

Economy with deep scars limps along

Business and industrial activities resumed yesterday amid a semblance of normalcy after a spasm of violence, internet outage and a curfew that left deep wounds in almost all corners of the economy.

7h ago