নিউইয়র্কে অ্যাপার্টমেন্টে আগুনে ৯ শিশুসহ নিহত ১৯

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের এক আবাসিক ভবনে অগ্নিকাণ্ডে ৯ শিশুসহ ১৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় অন্তত ৬৩ জন আহত হয়েছেন।
ছবি: রয়টার্স

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের এক আবাসিক ভবনে অগ্নিকাণ্ডে ৯ শিশুসহ ১৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় অন্তত ৬৩ জন আহত হয়েছেন।

আজ সোমবার মার্কিন সংবাদ সিএনএন এ তথ্য জানিয়েছে।

নিউইয়র্ক শহরের মেয়র এরিক অ্যাডামস এ অগ্নিকাণ্ডকে সাম্প্রতিক সময়ের সবচেয়ে বড় দুর্ঘটনা হিসেবে উল্লেখ করে বলেছেন, 'এটি নিউইয়র্ক শহরের জন্য একটি ভয়ঙ্কর বেদনাদায়ক ঘটনা। এটি নগরবাসীকে দুঃখ-যন্ত্রণায় নিমজ্জিত করেছে।'

ছবি: রয়টার্স

নিউইয়র্ক শহরের দমকল বাহিনীর কমিশনার ড্যানিয়েল নিগ্রো সংবাদ সম্মেলনে বলেন, 'আগুনের কারণে ২২ জন হাসপাতালে আশঙ্কাজনক অবস্থায় আছেন। মোট আহত হয়েছেন অন্তত ৬৩ জন।'

'নষ্ট ইলেকট্রিক হিটার থেকে আগুন লেগেছে' উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, 'হিটারটি বেডরুমে ছিল। সেই রুম থেকে অ্যাপার্টমেন্টে আগুন ছড়িয়ে পড়ে।'

তিনি জানান, নিউইয়র্ক শহরের পূর্ব ১৮১ স্ট্রিটের ১৯তলা ভবনটির আগুন নেভাতে দমকল বাহিনীর প্রায় ২০০ সদস্য কাজ করেন। ভবনের দ্বিতীয় ও তৃতীয় তলায় ডুপ্লেক্স অ্যাপার্টমেন্টে স্থানীয় সময় সকাল ১১টায় আগুন লাগে।

'হৃদরোগে আক্রান্ত অবস্থায় অনেককে ভবনের সিঁড়িতে পাওয়া যায়। এ ছাড়াও, ধোঁয়ার কারণে অনেকে শ্বাসজনিত সমস্যায় পড়েন,' যোগ করেন ড্যানিয়েল নিগ্রো।

তিনি জানান, প্রচণ্ড ধোঁয়ার কারণে অনেকে ভবন থেকে বের হতে পারেননি।

নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যের গভর্নর ক্যাথি হোচুল টুইটারে বলেন, 'আজ আগুনের যে ঘটনা ঘটেছে তাতে আমি মর্মাহত। নিহতদের জন্য গভীর শোক প্রকাশ করছি।'

মুসলমান ও অভিবাসীদের ওপর প্রভাব

মেয়র এরিক অ্যাডামস গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, ভবনটি যে এলাকায় সেখানে অনেক মুসলমান বসবাস করেন। পশ্চিম আফ্রিকার গাম্বিয়া থেকে অনেক অভিবাসীও রয়েছেন। তাই ইসলামি নিয়ম অনুযায়ী নিহত মুসলমানদের দাফনের ব্যবস্থা করতে হবে।

তিনি বলেন, 'আমরা চাই আপনারা দাফনের কাজে এগিয়ে আসুন।'

নিউইয়র্ক শহরের জরুরি ব্যবস্থাপনা বিভাগের প্রথম উপকমিশনার ক্রিস্টিনা ফ্যারেল সিএনএনকে বলেন, 'ভবনের অন্য বাসিন্দাদের পাশের একটি স্কুলে নেওয়া হয়েছে।'

'আমরা রেডক্রসের সঙ্গে কাজ করছি। আমাদের হোটেল রুম আছে। সবাইকে নিরাপদে রাখার চেষ্টা করছি', যোগ করেন তিনি।

মার্কিন সিনেটে ডেমোক্রেটিক পার্টির নেতা শুক শুমের সংবাদ সম্মেলনে বলেন, 'ভুক্তভোগীদের রাষ্ট্রীয়ভাবে সব ধরনের সহায়তা দেওয়ার বিষয়টি পর্যালোচনা করা হচ্ছে। তাদেরকে ঘর ও করের জন্য সহায়তা দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনায় আছে। অভিবাসন সংক্রান্ত সহায়তাও দেওয়া হবে যাতে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মানুষগুলো আবার একত্রিত হতে পারেন।'

Comments

The Daily Star  | English

Taka to trade more freely by next month

Bangladesh will introduce a crawling peg system by next month to make the exchange rate more flexible and improve the foreign currency reserves, a key prescription from the International Monetary Fund.

7h ago