অপরাধমূলক কার্যকলাপ

ঢাবির ১৫ জনসহ ২১ নেতাকর্মীকে ছাত্রলীগ থেকে বহিষ্কার

ঢাবির ১৫ জন, জাবির ১ জন, চবির ১ জন, রুয়েটের ৩ জন ও সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজের ১ জনকে ছাত্রলীগ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে
ছাত্রলীগ

সংগঠনবিরোধী ও অপরাধমূলক কার্যকলাপে জড়িত থাকার অভিযোগে বিভিন্ন ইউনিট থেকে ২১ নেতাকর্মীকে বহিষ্কার করেছে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটি।

আজ রোববার এ বিষয়ে একটি বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক সময়ে ঘটে যাওয়া কিছু অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার প্রেক্ষিতে সংগঠনবিরোধী, শৃঙ্খলা পরিপন্থী, অপরাধমূলক এবং সংগঠনের মর্যাদা ক্ষুণ্ণ হয় এমন কার্যকলাপে জড়িত থাকার অভিযোগে ২২ জনকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

তাদের মধ্যে ১৫ জন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের, ১ জন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের, ১ জন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের, ৩ জন রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (রুয়েট) ও ১ জন সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজের শিক্ষার্থী।

ছাত্রলীগ থেকে বহিষ্কৃত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৫ নেতাকর্মী হলেন- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাবেক মানবসম্পদ বিষয়ক উপ সম্পাদক নাজমুল হাসান রুপু, কবি জসিম উদদীন হল ছাত্রলীগের যুগ্মসাধারণ সম্পাদক তানজীর আরাফাত তুষার, মাস্টারদা সূর্যসেন হল ছাত্রলীগের কর্মী ফাহিম তাজওয়ার জয় ও সাজিদ আহমেদ, জগন্নাথ হল ছাত্রলীগের কর্মী রাহুল রায়।

বহিষ্কৃতদের মধ্যে ফজলুল হক হলের ৬ নেতাকর্মী রয়েছেন। তারা হলেন-  হল ছাত্রলীগের সমাজসেবা সম্পাদক আসাদুল্লাহ আসাদ, পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক মাহিদুর রহমান বাধন, গণযোগাযোগ ও উন্নয়ন সম্পাদক রিয়াজ আহমেদ পলক, উপ দপ্তর সম্পাদক জিহাদুল ইসলাম, অর্থ বিষয়ক উপসম্পাদক আল কাওসার, গ্রন্থণা ও প্রকাশনা বিষয়ক উপ-সম্পাদক শাওন চৌধুরী এবং ছাত্রলীগ কর্মী মো. তারেক। এছাড়া বিজয় একাত্তর হলের ছাত্রলীগ কর্মী ফজলে নাবিদ সাকিল, মো. রাহাত রহমান ও সাদিক আহাম্মদকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

পাশাপাশি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক অসিত পাল, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মারুফ ইসলাম, সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজের কর্মী রাকিবুল ইসলাম রাকিব এবং রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রুয়েট) সহ-সম্পাদক শাহ আলম রাতুল, কর্মী নূর মোহাম্মদ নাবিল ও কামরান সিদ্দিক রাশেদকে  বহিষ্কার করা হয়েছে।

সম্প্রতি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস এবং এর আশপাশ এলাকায় সংঘটিত কয়েকটি ছিনতাই, চাঁদাবাজির ঘটনায় মামলা এবং বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে জমা দেওয়া ভুক্তভোগীদের লিখিত অভিযোগে থেকে জানা গেছে, বহিষ্কৃতদের মধ্যে বেশিরভাগ নেতাকর্মী ছিনতাই, চাঁদাবাজি এবং হলে কক্ষ দখলকে কেন্দ্র কেন্দ্র করে সংঘটিত সংঘর্ষের ঘটনায় জড়িত৷

এদিকে বহিষ্কৃত চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মারুফ ইসলামের বিরুদ্ধে পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে সাংবাদিককে হেনস্তার ঘটনায় জড়িতের অভিযোগ ছিল।

Comments