অপরাধ ও বিচার

কুষ্টিয়ায় ঈদগাহ দখলে সংঘর্ষ, আহত ৭

ওসি মামুন রহমান বলেন, ‘নামাজের আগেই দুপক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। এতে সাতজন আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে একজনের অবস্থা গুরুতর।’
আহত একজনের অবস্থা গুরুতর। তিনিসহ আহত সাতজনই হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। ছবি: সংগৃহীত

কুষ্টিয়া সদর উপজেলার বিত্তিপাড়ায় ঈদগাহ কমিটি গঠন ও ঈদের নামাজ পড়ার আগে 'ঈদগাহ মাঠ দখল' নিয়ে সংঘর্ষে সাত জন আহত হয়েছেন।

আজ বৃহস্পতিবার সকালে এ ঘটনা ঘটে।

কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পলাশ কান্তি নাথ দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, 'ঘটনাস্থলের কয়েকটি ভিডিও দেখে মনে হয়েছে, এই সংঘর্ষ পূর্বপরিকল্পিত। আহত দুজনের গুরুতর জখম রয়েছে।'

তিনি জানান, এই সংঘর্ষের ঘটনায় এখন পর্যন্ত পাঁচজনকে আটক করা হয়েছে। সংঘর্ষে জড়িত বাকিদের ধরতে অভিযান চলছে। গ্রামে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মামুন রহমান দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, 'নামাজের আগেই দুপক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। এতে সাতজন আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে একজনের অবস্থা গুরুতর।'

স্থানীয়রা জানান, বিত্তিপাড়া গ্রামে প্রভাব বিস্তার নিয়ে দুপক্ষের বিরোধ অনেক পুরনো। একপক্ষে নেতৃত্ব দেন উজানগ্রাম ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবু বাক্কার সিদ্দীক এবং অপরপক্ষে বিত্তিপাড়া ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল হোসেন মেম্বার।

গ্রামের ঈদগাহ কমিটি নিয়ে এই দুপক্ষের মতানৈক্য চলছিল। এর মধ্যে আজ ঈদের নামাজের পর বসে একটি কমিটি গঠনের প্রস্তাব ছিল। কিন্তু সকাল সাড়ে ৭টার দিকে মাংস কিনতে গিয়ে দুপক্ষের কর্মী রশিদ ও জামালের মধ্যে কথা কাটাকাটি ও হাতাহাতি হয়।

এরপর ঈদগাহে আসার পথে বাক্কার গ্রুপের লোকদের মারধর করা হয়। পরে সাড়ে ৮টার দিকে ঈদগাহের দখল নিয়ে দুপক্ষের তুমুল সংঘর্ষ হয়।

সংঘর্ষে বাক্কার গ্রুপের যোয়াদ মণ্ডল, আব্দুল্লাহ, শাহীন ও বাবু এবং হোসেন মেম্বার গ্রুপের রাজা ও মিন্টু আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে যোয়াদ মণ্ডলের অবস্থা গুরুতর। তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয়েছে।

আহত সবাই হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।

Comments