বাংলাদেশ
টরন্টোয় দুর্ঘটনা

নিহত ৩ শিক্ষার্থীর মরদেহ আনা প্রক্রিয়াধীন, উন্নতি হলেও শঙ্কামুক্ত নন কুমার নিবিড়

গুরুতর আহত কুমার নিবিড় এখনও টরন্টোর সেন্ট মাইকেল হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন আছেন।
কানাডার টরন্টোয় সড়ক দুর্ঘটনায় ৩ বাংলাদেশি শিক্ষার্থী নিহত হয়েছেন। ছবি: সংগৃহীত

কানাডার টরন্টোয় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৩ বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর মরদেহ দেশের আনার প্রক্রিয়া চলছে এবং গুরুতর আহত শিক্ষার্থী চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

আজ সোমবার কানাডাপ্রবাসী সাংবাদিক শওগাত আলী সাগর দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, 'অ্যাঞ্জেলা বারৈয়ের শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়েছে। আগামী ২৪ বা ২৫ ফেব্রুয়ারি তার মরদেহ দেশে আনা হতে পারে। তার বাবা এখন কানাডায় আছেন। তিনি একদিন আগে দেশে ফিরে অ্যাঞ্জেলার মরদেহ গ্রহণ করবেন।'

তিনি আরও বলেন, 'টরন্টোর স্থানীয় সময় আগামীকাল নিহত শাহরিয়ার খান ও আরিয়ান দীপ্তর জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। তাদের মরদেহ দেশে ফেরানোর প্রক্রিয়া চলছে। পুরো প্রক্রিয়া শেষ হতে আরও কয়েকদিন সময় লাগতে পারে।'

গুরুতর আহত কুমার নিবিড় এখনও টরন্টোর সেন্ট মাইকেল হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন আছেন। কুমার বিশ্বজিতের পরিবারের বরাত দিয়ে শওগাত আলী সাগর জানান, 'গত ১৬ ফেব্রুয়ারি ডাক্তার জানিয়েছিলেন তার শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি হয়েছে। তার সেই অবস্থার আর অবনতি হয়নি, তবে উন্নতিও হয়নি। একই রকম অবস্থায় আছে।'

তার বিষয়ে চিকিৎসক বলেছেন, তাকে শঙ্কামুক্ত বলা যায় না। যেটা বিশেষভাবে বলতে হয় তা হচ্ছে, ভালো দিক যে অবস্থার আর অবনতি হয়নি। এখন অপেক্ষা করতে হবে তিনি কতটা দ্রুত রিকভার করতে পারেন সেটার জন্য।

কানাডার অনটারিও প্রভিন্সিয়াল পুলিশের হাইওয়ে সেফটি ডিভিশনের বরাত দিয়ে স্থানীয় সংবাদমাধ্যম সিপি২৪ জানায়, গত ১৩ ফেব্রুয়ারি স্থানীয় সময় রাত সাড়ে ১১টায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

গতকাল শওগাত আলী সাগর দ্য ডেইলি স্টারকে বলেছিলেন, 'এ দুর্ঘটনায় ২ জন ঘটনাস্থলে মারা গিয়েছেন। অ্যাঞ্জেলা বারৈকে হাসপাতালে নেওয়ার পর তিনি সেখানে মারা যান।'

'সংগীতশিল্পী কুমার বিশ্বজিতের ছেলে কুমার নিবিড় গাড়ি চালাচ্ছিলেন। তিনি গুরুতর আহত হয়েছেন। তার অবস্থা খুবই আশঙ্কাজনক। লাইফ অ্যান্ড ডেথ সিচুয়েশেন।'

তারা ৪ জনই হাম্বার কলেজের শিক্ষার্থী।

'গাড়িটি খুব দ্রুতগতিতে চলছিল' উল্লেখ করে শওগাত আলী সাগর আরও বলেন, 'এটি এক হাইওয়ে থেকে আরেক হাইওয়েতে উঠার সময় টার্ন নিতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে। সেখানে একটু কার্ভ ছিল। হাইওয়ের রেলিংয়ে গিয়ে ধাক্কা খেয়ে গাড়িটি ৩ বার উল্টে যায়।'

'গাড়িতে আগুন ধরে যায়। ফায়ার ব্রিগেড স্বল্প সময়ের মধ্যে দুর্ঘটনাস্থলে না পৌঁছলে বডি পাওয়া যেত না। পুরো ছাই হয়ে যেত', যোগ করেন তিনি।

 

Comments