বাংলাদেশ

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ২০ কিলোমিটার যানজট

সাইনবোর্ড থেকে লাঙ্গলবন্দ পর্যন্ত ১০ কিলোমিটার এবং কাঁচপুর থেকে দাউদকান্দি সেতু পর্যন্ত ১০ কিলোমিটার যানজট দেখা গেছে।
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক, যানজট, লাঙ্গলবন্দ, সাইনবোর্ড, কাঁচপুর, দাউদকান্দি,
যানজট নিয়ন্ত্রণে হাইওয়ে পুলিশের পাশাপাশি জেলা পুলিশও কাজ করছে। ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ২০ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে যানজট সৃষ্টি হয়েছে। এর মধ্যে সাইনবোর্ড থেকে লাঙ্গলবন্দ পর্যন্ত ১০ কিলোমিটার এবং কাঁচপুর থেকে দাউদকান্দি সেতু পর্যন্ত ১০ কিলোমিটার যানজট দেখা গেছে।

হাইওয়ে পুলিশ জানিয়েছে, লাঙ্গলবন্দ স্নানকে ঘিরে পুণ্যার্থীরা আসতে শুরু করেছেন। এ কারণে সড়কে যানজট সৃষ্টি হয়েছে। দুপুরের আগে যানজট নিয়ন্ত্রণে আসবে।

কাঁচপুর হাইওয়ে থানার পরিদর্শক মোহাম্মদ ইব্রাহিম জানান, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এমনিতেই যানবাহনের চাপ থাকে। আজ লাঙ্গলবন্দ স্নানকে ঘিরে পূণ্যার্থীরা আসতে শুরু করেন। এ কারণে সড়কে যানবাহনের অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হয়। যানজট নিয়ন্ত্রণে হাইওয়ে পুলিশের প্রায় ২০টি টিম মহাসড়কে কাজ করছেন।

ঢাকা-চট্টগ্রাম হাইওয়ে পুলিশের শিমরাইল ক্যাম্পের পরিদর্শক মো. শরফুদ্দিন দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, 'ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সাইনবোর্ড থেকে লাঙ্গলবন্দ সেতু পর্যন্ত প্রায় ১০ কিলোমিটারের দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হয়েছে। কাঁচপুর সেতু থেকে দাউদকান্দি সেতু পর্যন্ত আরও ১০ কিলোমিটারের যানজট আছে। মঙ্গলবার মধ্যরাত থেকেই যানজট দেখা দেয়। বুধবার ভোর থেকে তা আরও তীব্র হয়েছে।'

ভুলতা ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক ওমর ফারুক দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, 'সকালে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কেও যানজট ছিল। তবে, সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এ যানজট কমতে শুরু করেছে। লাঙ্গলবন্দ স্নানোৎসবকে ঘিরে বিভিন্ন জেলা থেকে নারায়ণগঞ্জের বন্দরে প্রচুর মানুষ আসছেন। তাদের রাস্তা পারাপারের সহায়তা করতে যানবাহন সিগনালে রাখতে হচ্ছে। এতে যানজট সৃষ্টি হয়েছে।'

জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ('ক' সার্কেল) নাজমুল হাসান বলেন, 'যানজট নিয়ন্ত্রণে হাইওয়ে পুলিশের পাশাপাশি জেলা পুলিশও কাজ করছে।'

তিনি আরও বলেন, 'এ যানজট দুপুরের মধ্যে শেষ হয়ে যাবে। যানজট নিরসনে হাইওয়ে পুলিশের কয়েকটি টিম কাজ করছে।'

Comments