রাজনীতি
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২

আ. লীগের মনোনয়নপত্র তুললেন উকিল আব্দুস সাত্তারের ছেলে মাইনুল হাসান

বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত নেতা উকিল আব্দুস সাত্তার ভূঁইয়ার মৃত্যুতে শূন্য হওয়া ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ) আসনের উপনির্বাচনে লড়তে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন তার ছেলে মাইনুল হাসান তুষার।
মাইনুল হাসান তুষার

বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত নেতা উকিল আব্দুস সাত্তার ভূঁইয়ার মৃত্যুতে শূন্য হওয়া ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ) আসনের উপনির্বাচনে লড়তে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন তার ছেলে মাইনুল হাসান তুষার।

শনিবার সকালে ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয় থেকে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন তিনি।

বিষয়টি নিশ্চিত করে দ্য ডেইলি স্টারকে মাইনুল হাসান তুষার বলেন, 'উনাদের (আওয়ামী লীগ) নির্দেশনা পেয়েই মনোনয়ন ফরম নিয়েছি।'

'আজকে সকালে আওয়ামী লীগ অফিস থেকে ফোন করে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করতে বলা হয়েছে। উনাদের কল পেয়েই আমি মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করে জমা দিয়েছি।'

আলোচিত সংসদ সদস্য আব্দুস সাত্তার ভূঁইয়ার মৃত্যুতে গত ৪ অক্টোবর ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনটি শূন্য ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। পাশাপাশি এ আসনে উপনির্বাচনের তফসিলও ঘোষণা করা হয়। আগামী ৫ নভেম্বর উপনির্বাচনের ভোট গ্রহণ হবে।

উকিল আব্দুস সাত্তার ১৯৭৯ সালে তৎকালীন কুমিল্লা-১ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। পরে ১৯৯১ ও ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি ও জুনের নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়ন নিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তৎকালীন চার দলীয় জোট সরকারের সময় তিনি টেকনোক্র্যাট প্রতিমন্ত্রী হিসেবে প্রথমে আইন মন্ত্রণালয়, পরে প্রাণিসম্পদ ও শেষ দুই বছর ভূমি মন্ত্রণালয়ে দায়িত্ব পালন করেন।

তিনি দীর্ঘদিন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপির সভাপতি পদে ছিলেন।

২০১৮ সালে অনুষ্ঠিত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে নির্বাচিত হন। পরে সংসদ থেকে বিএনপির সাত সংসদ সদস্য পদত্যাগ করলে তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের উপনির্বাচনে অংশগ্রহণ করে জয়ী হন। চলতি বছরের ২ জানুয়ারি তাকে বিএনপি থেকে বহিষ্কার করা হয়।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল ও আশুগঞ্জ) আসনের এ উপনির্বাচনে আবদুস সাত্তার ভূঁইয়াকে জেতাতে মূল ভূমিকা পালন করে আওয়ামী লীগ। উপনির্বাচনে কোনো প্রার্থী দেয়নি আওয়ামী লীগ। এমনকি তার পক্ষে প্রচার প্রচারণাতেও অংশ নেন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা।

গত ৩০ সেপ্টেম্বর ঢাকার একটি হাসপাতালে মারা যান আব্দুস সাত্তার ভূঁইয়া।

Comments