সাময়িকভাবে স্পিকার হতে চান ট্রাম্প

মার্কিন সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজকে ট্রাম্প বলেন, ‘যেহেতু কংগ্রেসে আমার অনেক বন্ধু রয়েছে, তাই আমাকে সমন্বয়কারীর ভূমিকা পালনের অনুরোধ জানানো হয়েছে।’
সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: এএফপি
সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: এএফপি

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সাময়িক ভাবে শূন্য হয়ে পড়া হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভস এর স্পিকারের পদ নেওয়ার ইচ্ছে প্রকাশ করেছেন।

আজ শুক্রবার এই তথ্য জানিয়েছে এএফপি।

এ সপ্তাহেই স্পিকারের পদ হারান ট্রাম্পের রিপাবলিকান পার্টির নেতা কেভিন ম্যাকার্থি। ডেমোক্র্যাটদের পাশাপাশি তার নিজ দলেরও ৮ আইনপ্রণেতা অনাস্থা ভোটে তার বিরুদ্ধে ভোট দেন। দলের নেতা-কর্মীরা ম্যাকার্থির বিরুদ্ধে অঙ্গীকার ভঙ্গ ও ডেমোক্র্যাট সরকারের সঙ্গে অতি মাত্রায় সহযোগিতার অভিযোগ এনেছে।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজকে ট্রাম্প বলেন, 'যেহেতু কংগ্রেসে আমার অনেক বন্ধু রয়েছে, তাই আমাকে সমন্বয়কারীর ভূমিকা পালনের অনুরোধ জানানো হয়েছে।'

ট্রাম্প আরও জানান, দীর্ঘমেয়াদে কাউকে এই পদের জন্য না পাওয়া পর্যন্ত তাকে দায়িত্ব পালনের বিষয়টি বিবেচনার কথা বলা হয়েছে।

যেহেতু ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে লড়বেন, সে জন্য দীর্ঘমেয়াদে তিনি এই দায়িত্ব পালন করতে চান না।

তবে সাবেক রিপাবলিকান কংগ্রেস সদস্য বারবারা কমস্টক সিএনএনকে জানান, ট্রাম্প এই পদের জন্য অযোগ্য। কারণ ফৌজদারি মামলায় অভিযুক্ত হয়েছেন তিনি।

কমস্টক বলেন, 'দুর্ভাগ্যজনকভাবে, তিনি হাউসের নিয়মগুলো জানেন না। ফৌজদারি অভিযোগে অভিযুক্ত হলে হাউসের নেতৃত্ব নেওয়া যায় না।'

আগামী মাসে ২০২০ এর প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ফল বদলে দেওয়ার ষড়যন্ত্রের অভিযোগে ট্রাম্প আগামী মার্চে বিচারের সম্মুখীন হবেন। এ মুহূর্তে ২০২৪ এর প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে সম্ভাব্য রিপাবলিকান প্রার্থীদের মধ্যে তিনিই সবচেয়ে এগিয়ে আছেন।

ট্রাম্পের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রীয় গোপন নথির অব্যবস্থাপনা, জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যে নির্বাচনের ফল বদলানোর ষড়যন্ত্রসহ আরও কয়েকটি অভিযোগ রয়েছে।

এছাড়াও নিউইয়র্কে বাইডেন ও তার দুই সন্তানের বিরুদ্ধে প্রতারণা মামলা বিচারাধীন রয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প শূন্য হয়ে পড়া হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভস এর স্পিকারের পদ নেওয়ার ইচ্ছে প্রকাশ করেছেন।

আজ শুক্রবার এই তথ্য জানিয়েছে এএফপি।

এ সপ্তাহেই স্পিকারের পদ হারান ট্রাম্পের রিপাবলিকান পার্টির নেতা কেভিন ম্যাকার্থি। ডেমোক্র্যাটদের পাশাপাশি তার নিজ দলেরও ৮ আইনপ্রণেতা অনাস্থা ভোটে তার বিরুদ্ধে ভোট দেন। দলের নেতা-কর্মীরা ম্যাকার্থির বিরুদ্ধে অঙ্গীকার ভঙ্গ ও ডেমোক্র্যাট সরকারের সঙ্গে অতি মাত্রায় সহযোগিতার অভিযোগ এনেছে।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজকে ট্রাম্প বলেন, 'যেহেতু কংগ্রেসে আমার অনেক বন্ধু রয়েছে, তাই আমাকে সমন্বয়কারীর ভূমিকা পালনের অনুরোধ জানানো হয়েছে।'

ট্রাম্প আরও জানান, দীর্ঘমেয়াদে কাউকে এই পদের জন্য না পাওয়া পর্যন্ত তাকে দায়িত্ব পালনের বিষয়টি বিবেচনার কথা বলা হয়েছে।

যেহেতু ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে লড়বেন, সে জন্য দীর্ঘমেয়াদে তিনি এই দায়িত্ব পালন করতে চান না।

তবে সাবেক রিপাবলিকান কংগ্রেস সদস্য বারবারা কমস্টক সিএনএনকে জানান, ট্রাম্প এই পদের জন্য অযোগ্য। কারণ ফৌজদারি মামলায় অভিযুক্ত হয়েছেন তিনি।

কমস্টক বলেন, 'দুর্ভাগ্যজনকভাবে, তিনি হাউসের নিয়মগুলো জানেন না। ফৌজদারি অভিযোগে অভিযুক্ত হলে হাউসের নেতৃত্ব নেওয়া যায় না।'

আগামী মাসে ২০২০ এর প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ফল বদলে দেওয়ার ষড়যন্ত্রের অভিযোগে ট্রাম্প আগামী মার্চে বিচারের সম্মুখীন হবেন। এ মুহূর্তে ২০২৪ এর প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে সম্ভাব্য রিপাবলিকান প্রার্থীদের মধ্যে তিনিই সবচেয়ে এগিয়ে আছেন।

ট্রাম্পের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রীয় গোপন নথির অব্যবস্থাপনা, জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যে নির্বাচনের ফল বদলানোর ষড়যন্ত্রসহ আরও কয়েকটি অভিযোগ রয়েছে।

এছাড়াও নিউইয়র্কে বাইডেন ও তার দুই সন্তানের বিরুদ্ধে প্রতারণা মামলা বিচারাধীন রয়েছে।

ইতোমধ্যে, ট্রাম্প আজ শুক্রবার জানান, তিনি কট্টর ডানপন্থী রিপাবলিকান নেতা জিম জর্ডানকে দীর্ঘমেয়াদে হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভসের স্পিকার হিসেবে দেখতে চান।

ট্রাম্প তার নিজস্ব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশালে পোস্ট করে বলেন, 'জর্ডান একজন অসামান্য স্পিকার হবেন। তার প্রতি আমার পূর্ণ সমর্থন রয়েছে'। 

নিজেই স্পিকার হওয়ার ইচ্ছে পোষণের পর ট্রাম্প এই ঘোষণা দিলেন।

জর্ডান (৫৯) ইউক্রেন যুদ্ধে মার্কিন অর্থায়ন নিয়ে বিরোধিতা করে আলোচনায় আসেন। এছাড়াও, তিনি প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের বিরুদ্ধে চলমান অভিশংসন তদন্তে নেতৃত্ব দিচ্ছেন, যা উদারপন্থী রিপাবলিকানদের বিরক্তির কারণ।

Comments

The Daily Star  | English
Impact of esports on Bangladeshi society

From fringe hobby to national pride

For years, gaming in Bangladesh was seen as a waste of time -- often dismissed as a frivolous activity or a distraction from more “serious” pursuits. Traditional societal norms placed little value on gaming, perceiving it as an endeavour devoid of any real-world benefits.

17h ago