চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি

এখনো সেমিফাইনালের সুযোগ দেখছেন জাকের

Jaker Ali Anik

চার দলের গ্রুপে সেরা দুই দল যাবে সেমিফাইনালে। এতে প্রথম ম্যাচ হারা মানে অনেক পিছিয়ে যাওয়া। তবে পিছিয়ে গেলেও সম্ভাবনা নিভে যেতে দেখছেন না জাকের আলি অনিক। প্রথম ম্যাচে ব্যাটিং বিপর্যয়ের পরও যেভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে লড়াইয়ের পুঁজি পেয়েছিলেন, প্রথম হারের ধাক্কা সামলেও সেভাবে ঘুরে দাঁড়ানোর প্রত্যয় তার কণ্ঠে।

চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে গত বৃহস্পতিবার দুবাইতে ভারতের কাছে ৬ উইকেটে হারে বাংলাদেশ। খুব একটা লড়াই জমাতে পারেনি ম্যাচটিতে। যদিও শুরুটা যেভাবে হয়েছিলো হারের ব্যবধান হতে পারত আরও অনেক বড়।

আগে ব্যাটিং বেছে ৩৫ রানে পড়ে গিয়েছিলো ৫ উইকেট। রোহিত শর্মা ক্যাচ না ফেললে ওই রানেই ৬ উইকেটও পড়ে যেত। খালি হাতে ফিরতেন জাকের। জীবন পেয়ে তাওহিদ হৃদয়ের সঙ্গে রেকর্ড ১৫৪ রানের জুটি গড়েন তিনি। হৃদয়ের সেঞ্চুরি আর তার ৬৮ রানে ২২৮ করে দল, যদিও পরে তা নিয়ে লড়াই জমে উঠেনি।

এই অবস্থায় পরের দুই ম্যাচ খেলতে পাকিস্তানে গেছে লাল সবুজের প্রতিনিধিরা। রাওয়ালপিন্ডিতে ২৪ ফেব্রুয়ারি নিউজিল্যান্ড ও ২৭ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের মুখোমুখি হবে নাজমুল হোসেন শান্তর দল।

সেমিতে যেতে বাকি দুই ম্যাচে জয়ের বিকল্প নেই। কাজটা কঠিন হলেও তা সম্ভব বলে বিশ্বাস করছেন জাকের আলি, ম্যাচের দিন আইসিসি মিক্সড জোনে তার কন্ঠে এমন জোর,  'অবশ্যই (সেমিফাইনাল যাওয়ার সুযোগ)। এখনো সুযোগ আছে কামব্যাক করার। প্রথম ম্যাচে এত বাজে অবস্থার পর দল যেভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছে, এখান থেকেও নেওয়ার আছে অনেক কিছু। এখন সামনের ম্যাচগুলোতে যে জায়গায় যা করার দরকার, সেই কাজগুলো ঠিকঠাক করলে আমাদের সুযোগ আছে।'

রাওয়ালপিন্ডিতে প্রচুর রান হওয়ার খ্যাতি আছে। কাজেই এবার ব্যাটিং বিপর্যয়ের শঙ্কা না দেখে উপরের দিকের ব্যাটারদের ভালো রান করতে দেখার আশা তার,  'ওই উইকেটে অবশ্যই আশা থাকবে তারা (টপ অর্ডার ব্যাটাররা) যেন রান করতে পারে। টপ অর্ডার থেকে বড় রান পেলে পরের কাজটি খুব সহজ হয়ে যায়। আশা করবো ওখানে ভালো উইকেটও পাবো। আমরাও ভালো কিছু করবো।'

পাকিস্তানে এর আগে খেলার অভিজ্ঞতা আছে বাংলাদেশ দলের অনেকেরই। প্রাথমিক অনুমান ব্যাট করার জন্য ভালো উইকেটের। তবে উইকেট যেমনই হোক সেই প্রস্তুতি নেওয়া থাকবে দলের,  'পরিস্থিতির দাবি যেমন থাকবে, সেই অনুযায়ীই খেলতে হবে। উইকেট কেমন থাকবে, তা তো আর আগে থেকে জানার উপায় নেই। আশা করছি ভালোই হবে উইকেট।'

Comments

The Daily Star  | English

Primary Schools: Dropouts up after 14 years of decline

In a setback for the country’s primary education system, the school dropout rate saw a sudden rise last year after a steady decline over 14 years, according to a government report.

10h ago