ইউক্রেন যুদ্ধের দ্রুত অবসানে চীনকে সম্পৃক্ত করতে চান বাইডেন ও মাখোঁ

মাখোঁর কার্যালয় এক বিবৃতিতে জানায়, ‘২ নেতা চীনকে সম্পৃক্ত করে ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধের প্রক্রিয়াকে গতিশীল করতে আগ্রহী এবং তারা এ অঞ্চলে টেকসই শান্তি প্রতিষ্ঠার ব্যাপারে তাদের ইচ্ছের কথা কথা জানিয়েছেন।’
ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁ (বাঁয়ে) ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। ফাইল ছবি: রয়টার্স
ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁ (বাঁয়ে) ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। ফাইল ছবি: রয়টার্স

চীন সফরে যাচ্ছেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁ। সফরের আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সঙ্গে ফোনে কথা বলেন তিনি। ফোন কলে ২ নেতা দ্রুত ইউক্রেন যুদ্ধের অবসান ঘটানোর প্রক্রিয়ায় চীনকে সম্পৃক্ত করার বিষয়ে আলোচনা করেন এবং একমত হন।

আজ বুধবার বার্তা সংস্থা রয়টার্স ফরাসি প্রেসিডেন্টের কার্যালয়ের বরাত দিয়ে এই তথ্য জানিয়েছে।  

মাখোঁর কার্যালয় এক বিবৃতিতে জানায়, '২ নেতা চীনকে সম্পৃক্ত করে ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধের প্রক্রিয়াকে গতিশীল করতে আগ্রহী এবং তারা এ অঞ্চলে টেকসই শান্তি প্রতিষ্ঠার ব্যাপারে তাদের ইচ্ছের কথা কথা জানিয়েছেন।'

ফরাসি প্রেসিডেন্টের কার্যালয় আরও জানায়, বাইডেন ও মাখোঁ উভয়ই আশা করছেন, চীন জলবায়ূ ও জীববৈচিত্র্য বিষয়ে বৈশ্বিক সমন্বয় প্রক্রিয়ায় আরও অবদান রাখবে এবং এ বিষয়ে একটি নিজস্ব কর্মপন্থা নির্ধারণ করবে। তবে এ বিষয়ে আর কোনো তথ্য দেয়নি মাখোঁর কার্যালয়।

বুধবার থেকে শুক্রবার পর্যন্ত চীন সফর করবেন ফ্রান্সের নেতা। চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা করবেন মাখোঁ। এ বিষয়টী চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় নিশ্চিত করেছে।  

ইতোমধ্যে ইউক্রেনের জন্য নতুন করে অস্ত্র সহায়তা বাড়ানোর বিষয়ে সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে বাইডেন প্রশাসন। মঙ্গলবার এক ঘোষণায় ২ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলার সামরিক সহায়তার কথা নিশ্চিত করেছে মার্কিনরা। এর মাঝে রয়েছে ৩টি বিমান হামলা নজরদারি রাডার, ট্যাংক-বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র ও তেল পরিবহনের ট্রাক। এর মাধ্যমে ইউক্রেনে রাশিয়ার বিশেষ সামরিক অভিযান শুরুর পর থেকে মো ৩৫ বিলিয়ন ডলারের সামরিক সহায়তা দিল যুক্তরাষ্ট্র।

 

Comments

The Daily Star  | English

PM's comment ignites protests across campuses

Hundreds of students from several public universities, including Dhaka University, took to the streets around midnight to protest what they said was a "disparaging comment" by Prime Minister Sheikh Hasina earlier in the evening

5h ago