ফরিদপুরে এ কে আজাদের নির্বাচনী ক্যাম্প ভাঙচুর, সমর্থকদের মারধর

আওয়ামী লীগ প্রার্থী শামীম হকের অনুসারী গেরদা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শাহ মোহাম্মদ এমার হকের নেতৃত্বে এ হামলা করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
হামলা
সদর উপজেলার গেরদা ইউনিয়নে ঈগল প্রতীকের নির্বাচনে হামলা চালায় নৌকার সমর্থকরা। ছবি: সংগৃহীত

ফরিদপুর-৩ আসনে ঈগল প্রতীকে স্বতন্ত্র প্রার্থী এ কে আজাদের নির্বাচনী ক্যাম্প ভাঙচুর করা হয়েছে। এ সময় তার সমর্থকদের মারধরও করা হয়।

আজ রোববার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে ফরিদপুর সদর উপজেলার গেরদা ইউনিয়নে আবুল ফয়েজ মজিবর রহমান উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

ফরিদপুর কোতয়ালী থানার পরিদর্শক (অপারেশন) আব্দুর গাফফার দ্য ডেইলি স্টারকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

আহতরা হলেন-গেরদা ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক স্কুল শিক্ষক জুনায়েদ হোসেন ও শেখ খবির। তাদের মধ্যে শেখ খবিরকে ফরিদপুর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

তাদের অভিযোগ, এ আসনে আওয়ামী লীগ প্রার্থী শামীম হকের অনুসারী গেরদা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শাহ মোহাম্মদ এমার হকের নেতৃত্বে এ হামলা হয়।

স্থানীয়রা জানায়, হামলাকারীরা মোটরসাইকেলে এসে এ কে আজাদের নির্বাচনী ক্যাম্প থেকে দুজনকে ডেকে নিয়ে লাঠিসোটা ও হকিস্টিক দিয়ে মারধর করে। পরে হামলাকারীরা ক্যাম্পে ভাঙচুর চালায়। 

গেরদা ইউনিয়নে এ কে আজাদের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব মো. রিয়াদ মিয়া ডেইলি স্টারকে বলেন, 'এমার হকের নেতৃত্বে তোফাজ্জল হোসেন ওরফে সম্রাট ও হাসিবুর রহমান ওরফে জেমি এ হামলা চালায়।'

পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে জানান তিনি।

যোগাযোগ করা হলে অভিযুক্ত ইউপি চেয়ারম্যান শাহ মোহাম্মদ এমার হক ডেইলি স্টারকে বলেন, 'একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেছে। কে বা কারা এসে এ কে আজাদের ক্যাম্পে হামলা চালিয়েছে, মারধর করেছে।'

এ ঘটনার সঙ্গে তিনি জড়িত নন দাবি করে এমার খান বলেন, 'শত্রুতা করে এর সঙ্গে আমার নাম বলা হচ্ছে।'

পুলিশ পরিদর্শক আব্দুর গাফফার বলেন, 'গেরদায় স্বতন্ত্র প্রার্থীর নির্বাচনী ক্যাম্পে হামলা-ভাঙচুর ও মারধরের ঘটনা ঘটেছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।'

Comments

The Daily Star  | English

AL to go tough to quell infighting

Over the first six months of this year, there were on average more than two incidents of infighting every day in Awami League. These conflicts accounted for 94 percent of the total 440 incidents of political violence during the same period.

2h ago